মেইন ম্যেনু

“সাপ পাল্টে দিয়েছে শেরপুরে নূর ইসলামের জীবন”

শেরপুর সদরের কামারের চর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের রাস্তা। সেখানেই থাকে আধ্যাতিক শক্তি প্রাপ্ত নামক মো: নুর ইসলাম (৪০)। তার দাবি সেই ছোট্র বেলা থেকেই তিনি স্বপ্নে সব সময় সাপ দেখতেন অনেক সময় ভয়ে ঘুমের মধ্যে চিৎকারও করতেন।

তাই এ দুঃসপ্ন থেকে বাঁচতে মা- বাবা তার গলায় বেধে দিয়েছিলেন নানা রকম তাবিজ। কিন্তু কোন বাধায় সাপের কাছ থেকে তাকে আলাদা করতে পারে নি। নূর ইসলাম জানায়, যে এক সময় তার স্বপ্নে সাপ আসলে তিনি আর ভয় পেতেন না, বরং সাপ স্বপ্নে আসলে সাপের সাথে খেলা করতেন। এমনকি তিনি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে পরতেন তখন বিষধর সাপও নাকি সবসময় তার পকেটেই থাকতো।

একদিন এক মজার ঘটনাও শেয়ার করলেন আওয়ার নিউজ বিডি’র সাথে ক্লাশের কোন এক শিক্ষার্থীর কলম চুরি হলে শ্রেণী শিক্ষক প্রত্যেক ছাত্রের পকেটে তল্লাশী শুরু করলে, এক সময় নূর ইসলামের পকেট হাত দিয়ে বের করে বিষধর সবুজ রঙের সাপ আর শিক্ষকতো ভয়েই দৌড়। ঘটে আরোও এক আজব ঘটনা, ৭ বছর বয়সে সর্বপ্রথম তিনি প্রায় অর্ধমৃত এক রোগীর জীবন বাঁচিয়েছেন, যেখানে অনেক বর বর ওঝা- কবিরাজ ছিল ব্যর্থ। সাপে কাঁটা রোগীকে বিষমুক্ত করার নিয়মও নাকি আসতো নূরইসলামের স্বপ্ন যুগে ৷ এখন তিনি শেরপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৮-১০ টি গোখরা সাপ সংগ্রহ করেছেন, যা রয়েছে তারই বাড়ির বাইরে খরের গাদির নিচে, এগুলো বিক্রি, নিয়ে খেলা, রোগীকে বিষমুক্ত করা তার আয়ের মূল উৎস। নূর ইসলাম জানান সাপ যত বিষধর হোক না কেন তাকে তো কোন সাপতো কাটেই না বরং তার সাথে খেলা করে ৷ বর্তমানে তিনি শেরপুর,জামালপুর সহ আশপাশের অনেক দূরদূরান্ত থেকে আসা সাপে কাঁটা রোগাদের অল্প খরচে চিকিৎসা করেন।

সর্বশেষ তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আধ্যাতিক শক্তির অপব্যবহার করতে চাই না আমি বাংলাদেশ সরকার সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা চাই এবং তিনি জানেন যে সাপের বিষ অনেক মূল্যবান একটি সম্পদ যদি সরকারীভাবে তাকে বৈধ লাইসেন্স দেওয়া হয় তাহলে তিনি দৈনিক চাহিদামত সাপের বিষও সরবারহ করতে পারবেন।






মন্তব্য চালু নেই