মেইন ম্যেনু

সাবধান, ইনি গর্ভবতী নারী!

গর্ভবতী নারীদের গণপরিবহনে যাতায়াত করা অনেক সময়েই কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে। তবে তাদের এ কষ্ট লাঘব করতে উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। সম্প্রতি এজন্য তাদের ব্লুটুথ ট্যাগিং সিস্টেম চালু করা হবে। এটি ট্রেনের অন্য যাত্রীদের সতর্ক করে দেবে যে গর্ভবতী নারী আছে, তার জন্য সিট ছাড়তে হবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিবিসি।

গণপরিবহনে প্রায়ই গর্ভবতী নারীরা যাতায়াতে অস্বস্তিতে পড়েন। এর অন্যতম কারণ অনেক সময় তারা গর্ভবতী কি না, তা বোঝা যায় না। ফলে অনেকেই তাদের অন্য নারীদের সঙ্গে এক দৃষ্টিতে দেখেন। আর তারা গর্ভবতি, তা জানাতেও অস্বস্তি বোধ করেন। তবে এ সমস্যার সমাধান বের করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি শহরের কর্তৃপক্ষ।

ব্লুটুথ এই সিস্টেমটির আওতায় স্বল্প দূরত্বে সংকেত পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ বিভিন্ন ট্রেনের অগ্রাধিকারমূলক সিটের ওপর বসানো হয় পিংক রঙের লাইট। কোনো গর্ভবতী নারী যখন ট্রেনে ওঠেন তখন তার কাছাকাছি সেই সিটের লাইট জ্বলে ওঠে। এতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই প্রায়োরিটি সিটে বসে থাকা অন্য ব্যক্তিদের সাবধান করে দেওয়া হয় যে, কাছাকাছি একজন গর্ভবতী নারী আছেন। আর এতে সিট ছেড়ে দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া আলো জ্বলে ওঠায় তারা সহজে সেই সিটটি খুঁজেও পান।

অনেক গর্ভবতী নারী অবশ্য তাদের প্রতি বাড়তি এ মনোযোগের কারণে বিরক্ত বোধ করতে পারেন। তবে এতে তাদের যাতায়াত যথেষ্ট সহজ হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার বুশান শহরে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ বিষয়ে বুশান শহরের মেয়র সুহ বুয়াং-সু বলেন, ‘গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত এ বিষয়টি মাথায় রেখে গণপরিবহনে তাদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও সহজে চলাচলের জন্য এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।’
এ সেন্সরগুলোতে থাকছে ছয় মাস চলার উপযোগী ব্যাটারি। এটি গর্ভবতী নারীদের দেওয়া হয়, যা ব্যাগের বাইরে বহন করার নির্দেশনা রয়েছে।

পিংক লাইট ক্যাম্পেইন নামে একটি প্রচারণার আওতায় ৫০০ গর্ভবতী নারীর মাঝে এ ব্লুটুথ সিস্টেমের সেন্সর দেওয়া হয়েছে পরীক্ষামূলকভাবে। পরবর্তীতে এ পদ্ধতি সফল হলে আরও বিস্তৃত করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।






মন্তব্য চালু নেই