মেইন ম্যেনু

সাব্বির-সাকিবের আউটে বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

সূচনাটা ভালোই করেছিলেন তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েস। দু’জনের ৮০ রানের উদ্বোধনী জুটি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের স্বপ্নই দেখিয়েছিল। তবে পরপর তিন উইকেট হারিয়ে এখন আবার অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যেতে হয়েছে টিম বাংলাদেশকে।

তবে সাব্বির রহমানের ব্যাটে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে ৫৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৪৬ বলে ৪৯ রান করেন সাব্বির রহমান। আফসোস তার জন্য। ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরির মাত্র ১ রান দুরে থাকতে আউট হয়ে গেলেন তিনি আদিল রশিদের বলে উইকেটের পেছনে জস বাটলারের হাতে ক্যাট দিয়ে।

আদিল রশিদের আউট সুইঙ্গার বলটি শেষ মুহূর্তে ছাড়তে গিয়েও কেন যেন ব্যাটের খোঁচাটা লাগিয়ে দিলেন। বল গিয়ে জমা পড়ে বাটলারের গ্লাভসে। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫টি বাউন্ডারিতে।

এরপর মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে জুটি বাধেন সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ডের স্পিনারদের সামনে ঠিক স্বচ্ছন্দে ব্যাট করতে পারছিলেন না তিনি। এ কারণেই ৩৬তম ওভারে মঈন আলির বলে পরাস্ত হলেন সাকিব। তার সুইং বলটি একটু এগিয়ে এসে খেলতে যান সাকিব। ব্যাটে লাগাতে পারেননি। বল ধরেই স্ট্যাম্প ভেঙে দিলেন বাটলার। ১০ বলে ৪ রান করে ফিরে যান সাকিব।

এ রিপোর্ট লেখার সময় বাংলাদেশের রান ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৫.৩ ওভারে ১৮৬। ১৯ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুশফিকুর রহীম এবং তার সঙ্গী নাসির হোসেন রয়েছেন ১ রানে।

এর আগে শুরুতে বেন স্টোকসের বলে ইমরুল কায়েস ক্যাচ দিয়েছিলেন পরিবর্তিত ফিল্ডার লিয়াম ডসনের হাতে। এরপর ৫ হাজারি ক্লাবে নাম লিখিয়েই যেন ফেরার তাড়া শুরু হয়ে যায় তামিমের মধ্যে। যে কারণে আদিল রশিদের বলে ক্যাচ দিতে দেখা গেলো জেমস ভিন্সের হাতে।

এরপর মাঠে নামেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সাব্বির রহমানের সঙ্গে জুটি বাধেন। আগের মাচে ৭৫ রান করার কারণে তার ওপর অনেকটাই আস্থা তৈরী হয়েছিল সবার। কিন্তু ৭ বলে ৬ রান করে উচ্চভিলাষি শট খেলতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন তিনিও। আদিল রশিদের বলে তার ক্যাচ ধরেন জনি বেয়ারেস্ট।

বৃষ্টির চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে ভরে গিয়েছে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গ্যালারি। সেই বৃষ্টি থেমেছে সময়মত এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামের তৃতীয় ওয়ানডেটিও শুরু হয়েছে সময়মত।

আগের দুই ম্যাচের মতই এই ম্যাচে টস হেরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ইংল্যান্ড টস জিতেই প্রথমে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ব্যাট করার জন্য। ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ভর করে সূচনাটা ভালোই হলো বাংলাদেশের।

প্রথম ম্যাচে ইমরুলের ব্যাট থেকে এসেছিল অনবদ্য সেঞ্চুরি। শেষ মুহূর্তের ব্যাটসম্যানদের ভুলে যদিও ওই ম্যাচে বাংলাদেশ হেরে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ কামব্যাক বাংলাদেশের। ২৩৮ রান করে জয় পেয়েছে ৩৪ রানে। দ্বিতীয় ম্যাচে যদিও তামিম-ইমরুল ভালো সূচনা এনে দিতে পারেননি।

তৃতীয় ম্যাচে এসে উদ্বোধনী জুটিতে ৮০ রান তোলেন তামিম এবং ইমরুল কায়েস। ১৯তম ওভারে এসে বেন স্টোকসের বলে পরিবর্তিত ফিল্ডার লিয়াম ডসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। আউট হওয়ার আগে ৫৮ বলে করেন ৪৬ রান। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও মারেন তিনি।

এরইমধ্যে হোম গ্রাউন্ডে ৫ হাজার রান পূরণ করে ফেলেছেন তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭৮তম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তামিম।

এরপরই অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। আদিল রশিদের বলে জেমস ভিন্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন লোকাল বয় তামিম ইকবাল। আউট হওয়ার আগে ৬৮ বলে ৫টি বাউন্ডারিতে করেন ৪৫ রান।






মন্তব্য চালু নেই