মেইন ম্যেনু

সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক ২টি খুন

টিপু সুলতান (রবি), সাভার প্রতিনিধি : সাভারের কলমা জিন্জিরায় গৃহবধূর হাতে শ্বাশুড়ী ও আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় স্বামীর হাতে গৃহবধু খুনের ঘটনা ঘটেছে।

সাভারের কলমার জিণ্জিরা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেড়ে গৃহবধূর হাতে শ্বাশুড়ী খুনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন গৃহবধূ দেলোয়ারা বেগম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় নিজের সন্তানদের নামে জায়গা দলিল করে দেয়া নিয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক আমজাদ হোসেনের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম বেশ কিছুদিন ধরেই চাপ দিচ্ছিলেন শ্বাশুড়ী সুফিয়া খাতুনকে।

এঘটনার জেড় ধরে আজ সকালে আবার বউ-শ্বাশুড়ীর মধ্যে বাক-বিতন্ডা হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শ্বাশুড়ীকে গুরুতর আহত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় গৃহবধূ দোলোয়ারা বেগম।

এসময় খবর পেয়ে গুরুতর আহত সুফিয়ে বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

এঘটনায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।

অন্যদিকে আশুলিয়ায় পরিবারিক কলহের জের ধরে স্বামীর হাতে পারুল বেগম নামের এক গৃহবধূ খুন হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে স্বামী শাওন ওহাব।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার কাঠগড়া দেওয়ানবাড়ি এলাকার মনির হোসেনের ভাড়া বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত পারুল বেগমের বোন পারভিন আক্তার জানান, গত আট মাস আগে দেওয়ানবাড়ী এলাকার জনৈক মনির হোসেনের বাড়ির বেশ কয়েকটি কক্ষ ভাড়া নেন তারা। এর মধ্যে একটি কক্ষে বোন পারুল ও তার স্বামী শাওন থাকতো। স্বামী পেশায় পরিবহন শ্রমিক। তবে দীর্ঘ দিন থেকে শাওন ও পারুলের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলে আসছিলো।

বৃহস্পতিবার সকালে যে যার মত কর্মস্থলে যাওয়ার পর দুপুরে খাবার খেতে বাসায় আসলে পারুলের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায় তারা। পরে দরজা ভেঙ্গে কক্ষে প্রবেশ করলে পারুলকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে প্রেরণ করে।

এদিকে, এঘটনায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আজীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ক্যামেরার সামনে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।






মন্তব্য চালু নেই