মেইন ম্যেনু

সামনে ঈদ, আপনার ফ্রিজ প্রস্তুত তো?

যত্ন

* ঈদের আগেই রেফ্রিজারেটরের ভেতর পরিষ্কার করুন। পাওয়ার কানেকশন বন্ধ করে ভেতরের সব খাবার বের করে ফ্রিজ খালি করে নিন। ক্লিনিং লিকুইড স্প্রে ও শুকনো স্পঞ্জ দিয়ে রেফ্রিজারেটরের বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন। ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এতে নরম কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজের ভেতর পরিষ্কার করুন। ফ্রিজের ড্রয়ার বা চেম্বার খুলে সাবান-পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিন।

* নিয়মিত রেফ্রিজারেটরের সিল পরিষ্কার করুন। দরজার সিলের কোথাও চিড় দেখা দিলে মেকানিক ডাকুন। বছরে একবার ইলেকট্রিক কানেকশন বন্ধ করে রেফ্রিজারেটরের পেছনে বা নিচে থাকা কয়েল পরীক্ষা করবেন। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা নরম কাপড় দিয়ে কয়েলে লেগে থাকা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করুন।

* বিদুৎ না থাকলে রেফ্রিজারেটরের দরজা কম খুলুন।

মাছ-মাংস ও ডিম-দুধ

* মাংস পরিষ্কার করে চর্বি যতটা সম্ভব ফেলে দিয়ে পলিব্যাগে মুড়ে ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে। মাছ ধুয়ে লবণ মেখে রাখুন। তাতে স্বাদ-গন্ধ অটুট থাকবে। একবার ফ্রিজে সংরক্ষন করা মাছ-মাংস ফ্রিজ থেকে বের করলে কাচা অবস্থায় আবার রাখবেন না। খাদ্যগুণ কমে যায়। ফ্রিজে মাছ-মাংসের সঙ্গে অন্য যেকোনো খাবার রাখতে চাইলে অবশ্যই এয়ারটাইট বাক্সে রাখুন।

* রেফ্রিজারেটরে ডিম সাজিয়ে রাখার সময় এর সুচালো দিকটা নিচের দিকে রাখুন। বেশি দিন ভালো থাকবে।

* দুধ, ডেইরি প্রোডাক্ট বা অন্যান্য খাবার প্যাকেটের গায়ে স্টোর তাপমাত্রা লেখা থাকে। সেই তাপমাত্রা অনুযায়ী খাবার ডিপফ্রিজার বা রেফ্রিজারেটরে অন্য অংশে রাখুন। সাধারণত এক দিনের বেশি দুধ স্টোর করতে হলে ডিপ চেম্বারে রাখুন।

শাকসবজি ও ফল সংরক্ষণ

* ফল বা সবজি ভালো করে ধুয়ে পানি শুকিয়ে রেফ্রিজারেটরে রাখুন। ফল বা সবজি একসঙ্গে না রেখে আলাদা চেম্বারে রাখুন।

* কাঁচা মরিচের বোঁটা ফেলে এয়ারটাইট জিপলক ব্যাগে ভরে রাখুন। ধনেপাতা, পেঁয়াজ পাতা বা লেটুস পাতা এবং যেকোনো শাক গোড়া কেটে তারপর পলিব্যাগে ভরবেন। খেয়াল রাখুন, প্যাকেটের ভেতরে যেন বাতাস না ঢোকে। শাকসবজি এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।

* তাজা ফল বা সবজি রেফ্রিজারেটরে ডিপ চেম্বারে রাখা ঠিক নয়। এতে পুষ্টি আর স্বাদ দুটোই কমে যায়। অনেক দিনের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে প্রথমে একটু ভাপিয়ে নিন। ঠাণ্ডা করে তারপর ডিপ ফ্রিজে রাখুন।

রান্না করা খাবার

* রান্না করা খাবার রাখার জন্য ঢাকনা দেওয়া পাত্র ব্যবহার করুন। এয়ারটাইট পাত্র এ ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।

* রান্না করা খাসির মাংস, মুরগি বা সামুদ্রিক খাবার বেশি সময়ের জন্য রেফ্রিজারেটরে রাখতে হলে ফয়েল পেপারে মুড়ে তারপর ঢাকনা দেওয়া বক্সে রাখুন।

খাবার আগে

* ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে সঙ্গে সঙ্গে চুলা বা ওভেনে গরম করা ঠিক নয়। প্রথমে সাধারণ তাপমাত্রায় এনে তারপর গরম করুন। ফ্রিজের খাবার অল্প গরম না করে ভালোভাবে গরম করে তবেই খাবেন। অল্প গরম করা খাবারে দ্রুত জীবাণু জন্মায়।

* কাঁচা সবজি বা মাছ-মাংস পানিতে ভিজিয়ে সাধারণ তাপমাত্রায় এনে তারপর রান্না করুন। মাছ-মাংসের বরফ গলাতে গরম পানি ব্যবহার করবেন না। কলের সাধারণ পানি ব্যবহার করুন।

রেফ্রিজারেটর থেকে খাবার বের করার দুই ঘণ্টার মধ্যেই গরম করুন। একবার বরফগলা খাবার আবার ফ্রিজে রাখবেন না। প্রয়োজন হলে একবার চুলায় জ্বাল দিয়ে তারপর রাখুন।






মন্তব্য চালু নেই