মেইন ম্যেনু

সামনে শুধুই অন্ধকার : কী হবে এই ৬ বোনের?

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আরজিনা বেগম(৪৫) নামে এক বিধবা নারীর মৃত্যুর পর তার ৬ মেয়ের সামনে এখন শুধুই অনিশ্চয়তার অন্ধকার।অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে তাদের চারবোনের লেখাপড়া।

গত রোববার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুর-দিনাজপুর সড়কের ফ্যাক্টরী পাড়া মোড়ে আরজিনা বেগম ট্রাকচাপায় নিহত হন।

এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল স্ত্রী ও ৬ কিশোরী কন্যা রেখে আরজিনা বেগমের স্বামী মোফাখখারুল ইসলাম মারা যান।

মোফাখখারুল ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুর পর বড় দুই মেয়ে মুক্তা পারভিন (২৩) ও মোহসিনা রিক্তা (২০) সংসারের হাল ধরেন। মুক্তা পারভিন নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। মহসিনা রিক্তা ৬ষ্ঠ শ্রেণি পাশ করেন। বাবা মারা যাওয়ার পর এ দুই বোন ঢাকায় গার্মেন্টস এ চাকরি নেন।

অন্যদিকে মা আরজিনা বেগম ছোট চার মেয়ে আগ্লে রাখেন। এর মধ্যে মোমিনা খাতুন (১৬) এসএসসি পাশ করলেও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারেননি। মমতাজ জাহান (১৫) স্থানীয় রাজাবাসর হাই স্কুল এন্ড কলেজে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। মনোয়ারা লিপি (১৪) একই স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের সর্বকনিষ্ঠ বোন মুসরাত জাহান লিপি (৯) রাজাবাসর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী।

মায়ের মৃত্যুর পর বড় দুই বোন এখন ঢাকায় যাবেন, গার্মেন্টস এ চাকরি করবেন, নাকি ছোট চার বোনদেরকে আগলে রাখবেন- সে দুর্ভাবনার পাশাপাশি অর্থাভাবে উপজেলার মন্মথপুর ইউনিয়নের রাজাবাসর মুন্সিপাড়া গ্রামের এই পরিবারে এখন অনিশ্চয়তার অন্ধকার নেমে এসেছে ।

কান্না কন্ঠে মুক্তা পারভিন ও মেজো বোন মোহসিনা রিক্তা বলেন, তার বাবা ও মায়ের ইচ্ছে ছিল সবগুলো মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করাবেন। এখন তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য দুই বোনের অভিন্ন লক্ষ্য হবে বলে জানান।






মন্তব্য চালু নেই