মেইন ম্যেনু

সামনে সংসদের স্টিকার, পেছনে ফেনসিডিল

নতুন ঝকঝকে পাইভেটকার। গ্লাসে লাগানো জাতীয় সংসদ সদস্যের স্টিকার। বোঝার উপায় নেই ওই গাড়িতে থাকতে পারে অবৈধ কিছু। কিন্তু না, জাতীয় সংসদের স্ট্রিকার লাগানো ওই প্রাইভেটকারেই পাওয়া গেল ৭৫০ বোতল ফেনসিডিল।

রোববার বিকেলে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের খাজুরায় এক প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ফেনসিডিলগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় প্রাইভেটকারচালক ফিরোজ আলমকেও (৩৫) আটক করা হয়।

যশোর খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এএসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ স্থানীয় খাজুরা ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান নেয়। তারা যশোরের দিক থেকে আসা জাতীয় সংসদের স্ট্রিকার লাগানো একটি সাদা রংয়ের অ্যালিয়ন প্রাইভেটকারকে (ঢাকা-মেট্রো-গ-২৯-৯০৫২) থামানোর জন্য সঙ্কেত দিলে চালক গাড়ি ফেলে পালানোর চেষ্টা করে।

পরে তাকে ধাওয়া করে আটকের পর প্রাইভেটকারটিতে তল্লাশি চালানোর সময় পেছনের বক্সে বস্তাভর্তি ৭৫০ ফেনসিডিল পাওয়া যায়। পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ফিরোজ আলমের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার সদরের দালালবাজারে। বর্তমানে তিনি ঢাকার আগারগাঁও তালতলায় বসবাস করে এবং ফেনসিডিল চোরাচালানের ব্যবসা করেন।

তবে, জাতীয় সংসদের স্টিকার লাগানোর ব্যাপারে আটক ফিরোজ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই