মেইন ম্যেনু

সামাজিক মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে যে বিয়ে

বর্তমান বিশ্বে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল দেশগুলোর মধ্যে চীন অন্যতম। দেশটি সম্প্রতি এক সন্তান নীতিতে ইতি টানলেও দীর্ঘদিন ধরেই চলেছিল নীতিটি। এছাড়া জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিবাহ রোধেও চীনে রয়েছে কঠোর আইন। এ আইন ভঙ্গ করলে আছে কঠিন শাস্তিও।

তবে এবার সেই শাস্তির ভয়ের পরোয়া না করে বাল্যবিবাহ রোধের আইন ভঙ্গ করেছে চীনের ১৬ বছর বয়সী এক জুটি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিয়ের কিছু ছবি প্রকাশিত হলে তা তাদের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচনার সৃষ্টি করে।

বিবিসি জানিয়েছে, এই নবদম্পতি চীনের গুয়ানঝিও প্রদেশের বাসিন্দা। ইতিমধ্যে তারা সম্প্রতি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

এদিকে চীনের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বর ঝিয়াউ বলেন, ‘আমরা শুধু বিয়ের আয়োজন করেছি। যখন আমরা পূর্ণবয়স্ক হবো তখনই কেবলমাত্র আমরা আমাদের বিয়ে নিবন্ধন করবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর পরস্পরকে জানি। এছাড়া আমাদের বিয়েও অবসম্ভাবী। তাই আমরা এই বিষয়ে একটি ভোজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেই। এর সকল খরচ আমাদের পরিবার বহন করেছে।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পোস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্নজন বিভিন্নরকম মন্তব্য করেছেন। একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই শিশুদের মা-বাবা নিশ্চয়ই কম বয়সে বিয়ে করেছিলেন। কখন কী করতে হয়, তারা তা জানে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকেরই এটা মনে রাখতে হবে যে আমরা একটি রাষ্ট্রের অধীনে বসবাসকারী। আমরা রাষ্ট্রীয় শৃংখলা মানতে বাধ্য।’ একজন সংবাদ কর্মী মন্তব্য করেছেন, ‘এটা কি সত্যিই কোনো ভালোবাসা? আমি মনে করি এটা কেবলই একটি খেলা।’

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ’র ২০১১ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন ছাড়া উন্নয়নশীল বিশ্বের বাকি দেশগুলোর প্রতি তিনজন মেয়ের মধ্যে একজনের ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে হয়। চীনে বৈধ বিয়ের বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে ২২ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২০।






মন্তব্য চালু নেই