মেইন ম্যেনু

সামান্য ফুটবল খেলায় বিবাদে ৩ ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে তিন সহোদরকে কুপিয়ে পিটিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় পুলিশ ফাতেমা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীকে আটক করেছে।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের উত্তর কাজীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কাজীনগর গ্রামের কাজীবাড়ির মোকছেদ উল্ল্যার ছেলে মো. হারুন (৩৮), কামাল উদ্দিন (৩৪) ও মো. বাবলু (২৬)। আটক ফাতেমা আক্তার একই গ্রামের আব্দুল খালেকের স্ত্রী।

নিহতদের পরিবার জানায়, দুপুরে কাজীবাড়ির মসজিদের পাশের একটি ধানক্ষেতে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে ফুটবল খেলছিলেন মো. বাবলু, সাদ্দাম ও রাজুসহ এলাকার কয়েকজন যুবক। খেলায় বাবলু একটি গোল করলে ওই গোলটি অফসাইড হয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিপক্ষ সাদ্দাম গ্রুপের খেলোয়াড়রা। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।

পরে প্রতিপক্ষ সাদ্দাম গ্রুপের লোকজন বাবলুর বড় ভাই হারুনকে মোবাইল করে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন। এক পর্যায়ে সাদ্দাম, রফিক, রাজু, গোলাম মাওলা, আনোয়ার হোসেন, মিজান, নওশাদ, তাহের, মামুন, আবুসহ কয়েকজন একত্রিত হয়ে বাবলু ও হারুনকে এলোপাথাড়ি পেটাতে থাকে। খবর পেয়ে বাবলুর অপর বড় ভাই কামাল উদ্দিন ঘটনাস্থলে আসলে তারা তাকেও পেটাতে থাকে। নিজেদের বাঁচাতে তিন ভাই পাশের একটি ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। কিন্তু হামলাকারীরা তাতেও ক্ষান্ত হয়নি। ঘর থেকে বের করে হারুনের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয় এবং তিন জনকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই বাবলু ও হারুন মারা যান।

পরে স্থানীয়রা কামাল উদ্দিনকে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফুটবল খেলা নিয়ে এ হামলার সূত্রপাত হয়েছে। তবে এটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় এক নারীকে আটক করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই