মেইন ম্যেনু

জঙ্গিবাদে অর্থায়ন: সিঙ্গাপুরে চার বাংলাদেশি দোষী সাব্যস্ত

সিঙ্গাপুরে জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগে আটককৃত ছয় বাংলাদেশির মধ্যে চারজন নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দেশটির একটি আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করেছে। স্ট্রেইট টাইমসের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির ইন্টারনাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের (আইএসএ) আওতায় চলতি বছরের এপ্রিলে ওই ছয় জনকে আটক করা হয়। যে চারজন নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন তারা হলেন, রহমান মিজানুর (৩১) মিয়াহ রুবেল (২৬), মো. জাবাথ কায়সার হাজি নুরুল ইসলাম সওদাগর (৩১) এবং সোহেল হাওলাদার ইসমাইল হাওলাদার (২৯)। মঙ্গলবার আদালতে ওই চারজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

ওই ছয় জনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগ এনে গত শুক্রবার অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযুক্তরা নিজেদের ইসলামিক স্টেটের বাংলাদেশ শাখার (আইএসবি) সদস্য বলে দাবী করেছে।

তবে বাকি দু’জন জামান দৌলত (৩৪) ও মামুন লিয়াকত আলী (২৯) নামের আরও দুই বাংলাদেশি তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জুনের ৯ তারিখ তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে সন্দেহভাজন আট জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ঝয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তারা ইসলামিক স্টেটের বাংলাদেশি শাখার (আইএসবি) সদস্য। তারা দেশে ফিরে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের স্বরযন্ত্রের পরিকল্পনা করছিল।

তাদের উদ্দেশ্য ছিল ইরাক ও সিরিয়ায় খিলাফত রাষ্ট্র কায়েমের পাশাপাশি দেশে ফিরেও ইসলামিক স্টেটের প্রতিনিধিত্ব করা।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আটককৃতরা বাংলাদেশে আইএসের সমর্থনকারী একটি দলের সদস্য। তারা জঙ্গিদের মদদ এবং অর্থায়ন করছিল। বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিলেন তারা।

তাদের আটকের পর দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রহমান মিজানুরের কাছে বাংলাদেশ সরকার ও সামরিক কর্মকর্তাদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। ওই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করিা হচ্ছিল।

ওই ছয় বাংলাদেশি ইরাক ও সিরিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। কিন্তু সেখানে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছিল বলে নিজেদের পরিকল্পনা বদল করে বাংলাদেশের সরকারকে উৎখাত করে এ দেশে খেলাফত রাষ্ট্র কায়েমের পরিকল্পনা শুরু করে তারা।

এই গোষ্ঠীর অন্তত আরো বেশ কয়েকজন সদস্য বাংলাদেশে লুকিয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পুলিশ।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর কঠোর নিরাপত্তা নিয়েছে। জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি।






মন্তব্য চালু নেই