মেইন ম্যেনু

সিরীয় শরণার্থী ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে

চার বছর। সেই ২০১১ সাল। সেই থেকে জ্বলছে সিরিয়া। এখন ২০১৫ সাল। ব্যবধান চার বছর। বীভৎস, ঝলসিত মাতৃভূমি ছেড়ে এই চার বছরে প্রায় ৪০ লাখ সিরীয় পালিয়েছে।

বোমা-বন্দুক-কামানের দেশে মানুষের থাকা বড় দায়। প্রতি মুহূর্তে প্রাণ যাওয়ার ভয়। আকাশে বোমা, মাটিতে বোমা, রাস্তার অলিতে-গলিতে তাক করে থাকা বন্দুক- সবই প্রাণ কেড়ে নেওয়ার হাতিয়ার। তাই জন্মভূমি ছেড়ে প্রাণে বাঁচার আশায় অবর্ণনীয় কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করে সীমান্ত পার হয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় খুঁজছে দেশটির মানুষ।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, সিরিয়ার বাইরে সিরীয় শরণার্থীর সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ সিরীয় আশ্রয় নিয়েছে শুধু তুরস্কে।

জাতিসংঘ আরো বলেছে, সাম্প্রতিক এক হিসাবে দেখা গেছে, মোট সিরীয় শরণার্থী ৪০ লাখ ১৩ হাজার। আর দেশের ভেতরে ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছে প্রায় ৭৬ লাখ মানুষ। সব মিলে সিরিয়ার ১ কোটির বেশি মানুষ এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের মোট শরণার্থী সংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ সিরীয়। একক দেশ হিসেবে সিরীয় শরণার্থীর পরিসংখ্যান সবার ওপরে। দিন দিন এ সংখ্যা আরো বাড়ছে।

বর্তমানে ২০ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে এমন দেশ শুধু একটিই, তুরস্ক। এ ছাড়া জর্ডানে ৬ লাখ ২৯ হাজার ১২৮ জন, মিশরে ১৩ লাখ ২ হাজার ৩৭৫ জন, ইরাকে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭২৬ জন শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও হুমকিতে রয়েছে নারী ও শিশুরা। আশ্রয়শিবিরেও তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের মার্চ মাসে শুরু হওয়া সিরিয়া গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার মানুষ মারা গেছে। যুদ্ধ চলছে, বাড়ছে মৃত্যুর টালি খাতার পাতা।






মন্তব্য চালু নেই