মেইন ম্যেনু

সিলেটে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি সঙ্গে শিলা

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টা। সিলেট নগরীতে শুরু হয় বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়। এক পর্যায়ে চলে যায় বিদ্যুৎ। শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চলছে অবিরাম বৃষ্টি। সঙ্গে রয়েছে শিলা ও ঝড়ো হাওয়া।

বৃষ্টির কারণে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিপাকে পড়েছেন ঘরমুখি মানুষ। অফিস-আদালত শেষ করে অনেকেই বাড়ি না ফিরে আশ্রয় নিয়েছেন নগরীর বিভিন্ন মার্কেট বা দোকানে। কোনো কোনো এলাকায় বৃষ্টির পানি রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। কোথাওবা মার্কেট ও দোকানের মধ্যেও ঢুকে পড়েছে পানি।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টায় অবিরাম বৃষ্টির মধ্যে নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, রিকাবীবাজার, মিরের ময়দান, সুবিদবাজার, বাগবাড়ি এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

চৌহাট্টা পয়েন্টে বৃষ্টির কবলে পড়া রুম্মান আহমদ বলেন, বন্দরবাজার ব্যাংক থেকে নগরীর আম্বারখানায় বাসায় ফিরছিলেন। কিন্তু চৌহাট্টা আসার পর শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে শিলাবৃষ্টিও। এখন আর বাড়ি ফিরতে পারছেন না।

তিনি বলেন, ৩৫ বছর রয়েছেন এখানে। আজকের মতো শিলাবৃষ্টি কখনো দেখেননি।

নগরীর পুরোনলেন এলাকার বাসিন্দা তুহিন ইসলাম জানান, অবিরাম বৃষ্টিতে তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। রাস্তায় প্রায় হাঁটু জল।

বাগবাড়ি এলাকার চা বিক্রেতা আব্দুর রহিম মিয়া জানালেন, বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়। এ সময় তার চায়ের দোকানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন মানুষ আশ্রয় নেয়।

প্রায় ৪০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম বলেন, আমার জীবনে এমন শিলাবৃষ্টি কখনো দেখিনি। বড় বড় শিলাবৃষ্টি টুকরো আমার দোকানেও ঢুকছে।

আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আবু সাঈদ আহমদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে নাম প্রকাশ না করা শর্তে ওই অফিসের আরেক কর্মকর্তা জানান, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এরকম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরকম অবস্থা আরোও কয়েকদিন চলতে পারে।

এদিকে সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও প্রবল শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।






মন্তব্য চালু নেই