মেইন ম্যেনু

সিলের সার্ফিং তিমির পিঠে….

অস্ট্রেলিয়ার এক আলোকচিত্রী প্রাণীদের পারস্পারিক সম্পর্কের এক দুর্লভ মুহূর্তের ছবি তুলেছেন যেখানে দক্ষিণ ওয়েলস সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে একটি সামুদ্রিক সিলকে তিমির পিঠে চড়ে সাঁতার কাটতে দেখা যায়।

রোব্যান ম্যালকম নামের এই আলোকচিত্রী অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে উন্মত্ত তিমির খাদ্যগ্রহণের দৃশ্য ধারণের সময় এই দুর্লভ ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করেন। এ বিষয়ে ‘দ্য সিডনি হেরাল্ড’ কে তিনি বলেছেন, তিনি যখন ছবিগুলোর ওপর চোখ বুলাচ্ছিলেন তখন তার মনে হলো তিনি কিছু অস্বাভাবিক ছবি তুলেছিলেন। প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে প্রাণীদের এরকম মুহূর্তের দৃশ্য স্বচক্ষে দেখতে পারা সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার।

সিলনিউ সাউথ ওয়েলসের বন্য তিমি বিশেষজ্ঞ জিউফ রোস জানিয়েছেন, দুটি ভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে সখ্য খুব দুর্লভ হলেও তারা এর আগেও এরকমটা শুনেছেন। তিনি বলেন, ‘অপর সেই দুর্লভ সময়ে একটি সিল একটি হিংস্র তিমির পিঠের দুইপাশের পাখনায় চড়ে প্রাণ বাঁচাতে পালাতে চেষ্টা করছিল।’

ছবিগুলোর মৌলিকত্বের প্রশ্নে ম্যালকম বেশ জোরেসোরেই তার তোলা ছবিগুলোর সপক্ষে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কীভাবে ফোটোশপ ব্যবহার করতে হয়। ছবিগুলো এখনও আমার ক্যামেরায় রয়েছে। প্রমাণ হিসেবে আমি সেগুলো দেখাতেও পারি।’

সিল এবং তিমির সেই মুহূর্তের ছবিটি এখনো পর্যন্ত এই বছরের সর্বশেষ আশ্চর্য।

কাঠঠোঁকরা-বেজিকাঠঠোঁকরার পিঠে বেজির আকাশ ভ্রমণের এই ছবিটি ইংল্যান্ডের হর্নচার্চ কাউন্টি পার্কে মার্টিন লে-ম্যাই নামের এক আনাড়ি আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় ধরা দেয়।

কুমির-রেকুন

 

 

কুমির আর রেকুন এর এই ছবিটি জুন মাসের কোনো এক সময় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার এক জঙ্গলে ভ্রমণরত এক পরিবার ক্যামেরাবন্দি করে। সেই পরিবারের একজন সদস্য, রিচার্ড জোন্স, যিনি এই ছবিটি তুলেছিলেন- তিনি কতটা রোমাঞ্চিত সেটা WFTV তে তার দেয়া সাক্ষাৎকারেই বেশ বোঝা যায়।






মন্তব্য চালু নেই