মেইন ম্যেনু

সিসিটিভিতে ধরা পড়ল তরুণীকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য

২৩ এপ্রিল রাত ১০টা। ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর ব্যস্ত সড়ক। হেঁটে হেঁটে ফোনে কথা বলছেন এক তরুণী। হঠাৎ করেই এক ব্যক্তির আবির্ভাব। পেছন থেকে দুই হাত দিয়ে ওই তরুণীকে উঁচু করে তুলে নিয়ে গেলেন ওই ব্যক্তি।

তরুণীটি হাত পা ছুড়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন, চিৎকার করছিলেন। কিন্তু কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন না।

ঘটনার এই পুরো দৃশ্যই ধরা পড়েছে ওই সড়কে থাকা একটি ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) ফুটেজে। সেখানেই দেখা গেছে পুরো সিনেম্যাটিক কায়দায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চিত্র।

ওই সড়কের পাশেই একটি বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতেন ওই তরুণী। সেদিন রাতে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এ সময় ঘটে যায় এই ঘটনা। তবে ওই তরুণীর ভাগ্য ভালো। কারণ কিছুক্ষণ পরেই মুক্তি পান তিনি।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তরুণীটিকে যে ব্যক্তিটি তুলে নিয়ে গেছে তার মুখ ও মাথা একটি কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। ফলে তার চেহারা বোঝা যায়নি। ওই ব্যক্তি তরুণীটিকে দুই হাতে দিয়ে তুলে নিয়ে যায়।

ওই সময় ঘটনাস্থল দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এক নারী ও দুই পুরুষ। পাশেই তরুণীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটলেও ওই তিনজনের ভেতর কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায়নি।

photo-1462246542

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অপহৃত তরুণী জানান, ওই ব্যক্তি তাঁকে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ভয়ে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যায়।

সাংবাদিকদের ওই তরুণী বলেন, ‘আমি চিৎকার করছিলাম আর সে বারবার আমার মুখ চেপে ধরছিল। নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমি তাকে মারছিলাম। এ সময় সে আমাকে এত জোরে আঘাত করে যে আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। যখন জ্ঞান আসে, তখন সেখানে ওই লোকটি ছিল না। আমার ব্যাগ এবং ফোন পাশেই পড়ে ছিল।’

এ ঘটনায় ওই তরুণী প্রথমে কোনো অভিযোগ দায়ের না করলেও স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। তবে এ ঘটনায় যেহেতু সিসিটিভি ফুটেজের প্রমাণ রয়েছে তাই যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কর্ণাটক কমিশন ফর উইম্যান।

এদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই