মেইন ম্যেনু

সুঠাম, আকর্ষণীয় ও শক্তিশালী দেহ পাবার ১০ টি সহজ উপায়

অনেকের ইচ্ছে থাকে বলিউড-হলিউড দাপিয়ে বেড়ানো নায়কদের মতো পেশীবহুল শরীরের অধিকারী হবার। কিন্তু কীভাবে? আসুন জেনে নেই সেইরকম কিছু টিপস।

১)খেতে হবে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটঃ ফ্যাট জাতীয় খাবার আবার স্বাস্থ্যকর হয় কী করে? অবাক হচ্ছেন, তাহলে জেনে রাখুন স্বাস্থ্যকর ফ্যাট জাতীয় খাবারগুলো হচ্ছে ডিমের কুসুম, নারকেল ইত্যাদি। এসব খাবার রয়েছে মাঝারি আকারের কার্বন শিকল যা সহজেই বিপাকযোগ্য।

২)বাড়িয়ে ফেলুন প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণঃ একজন সুস্থ স্বাভাবিক ওজনের কর্মক্ষম মানুষের প্রতিদিন প্রতিকেজি ওজনের জন্য দুই গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা প্রয়োজন অর্থাত্‍ ব্যক্তির ওজন যদি হয় পঞ্চাশ কেজি তবে দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা একশ গ্রাম। মনে রাখা প্রয়োজন দৈহিক ক্ষয়পূরণের পর অতিরিক্ত প্রোটিন মাসেল অর্থাত্‍ পেশিতে জমা হয়।তাই যারা সুন্দর পেশীবহুল বডি বানাতে চান ব্যায়ামের পাশাপাশি ডিম, দুধ,মাছ, শিমের বীচি, বাদাম ও ডাল জাতীয় খাবার খান।

৩)খেতে হবে ক্যালরি সমৃদ্ধ খাদ্য: খেতে হবে ক্যালরি বহুল খাবার। যেমন: কলা। একটি কলায় থাকে প্রায় ১০০ ক্যালরি, এক পিস পনিরে থাকে ৭০ ক্যালরি সেইসাথে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাট ও কোলেস্টেরল। প্রতিটি গমের রুটিতে থাকে প্রায় ৬৯ ক্যালরি।

৪)চার ঘণ্টার বেশি না খেয়ে থাকবেন না: আপনার শরীর নিয়মিত খাবারের সাপ্লাই চায়। যা শরীরকে পর্যাপ্ত শক্তির যোগান দিবে। বেশি সময় খাবার না খেয়ে থাকলে শরীরে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে ফলে ওজন বাড়ার বদলে উল্টো কমে যেতে পারে । খালি পেটে তো কিছুতেই থাকবেন না বরং সময়মত বেশি করে খাবার খেয়ে শরীরে খাদ্য ঘাটতি পুষিয়ে ফেলুন।

৫)ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান:ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু খাবেন। আর খিদে পেলে তো আয়েশ করে পেট পুরে খেয়ে নেবেন। আর সাথে সাথেই ঘুম। ফলে খাবারের ক্যালোরিটা খরচ হবার সময় পাবে না, বাড়তি ওজন হিশাবে জমবে শরীরে। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিবেন।

৬)নিয়মিত ব্যায়াম শুরু করুন: আমাদের সবার ধারণা ব্যায়াম শুধু ওজন কমানোর জন্যই কাজ করে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। ব্যায়াম করলে শরীর একটিভ হয় এবং পুষ্টি উপাদানগুলো ঠিক মতো কাজে লাগে। ঠিক সময়ে ক্ষুধা লাগে, এবং তখন খাদ্য গ্রহণের রুচিও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন হালকা কিছু ব্যায়ামই এর জন্য যথেষ্ট।

৭)পর্যাপ্ত ঘুমান ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন:আপনার খাদ্যাভ্যাস আর শরীর চর্চার পাশাপাশি যেই জিনিসটা লাগবে তা হলো পর্যাপ্ত ঘুম এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকা। দৈনিক ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনার ওজন বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ হবেই। ব্রেনের উপর কোনো চাপ নেবেন না।

৮)প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান: ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে।

৯)খাদ্যাভাসে আনুন পরিবর্তনঃ যেমন প্রতিদিন দুপুর বা রাতের খাবারের পর খেতে পারেন মিষ্টি দই। প্রতিদিন মিষ্টি দই খেলে দ্রুত ওজন বাড়বে। খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাবেন।

১০)কিছু অভ্যাসকে দিন বিদায়ঃ কফি ও চা খাওয়া কমিয়ে ফেলুন। বিশেষ করে দুপুর বা রাতের খাবার গ্রহণের পরপরই চা কফি খাবার অভ্যাস ত্যাগ করুন। কেননা খাবার গ্রহনের পরপরই চা কফি খেলে তা মিনারেল গ্রহণের হারকে কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে খাবারের আয়রন দেহ শোষণ করতে পারেনা।






মন্তব্য চালু নেই