মেইন ম্যেনু

সেই শিক্ষককে ফোন করলেন শিক্ষামন্ত্রী

ঝালকাঠির নলছিটিতে বই উৎসবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ পেয়ে প্রধান শিক্ষককে ফোন করে এক হাত নিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের `তিমিরকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়’-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি নতুন বই বিতরণের সময় জনপ্রতি দুইশ টাকা আদায়ের খবর পেয়ে সোমবার ওই শিক্ষককে ফোন করেন শিক্ষামন্ত্রী। ফোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে একদিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে বই বিতরণ কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান। নির্দেশনা পেয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রতিবেদনটি ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক, শিক্ষা কর্মকর্তা, উপপরিচালক বরিশাল এবং নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য নলছিটি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. জলিলুর রহমান আকন্দ জানান, তিমিরকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক মাহমুদা আক্তার, শিরিন আক্তার ও শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে দুইশ টাকা করে নিয়ে বই বিতরণ করেছেন।

বিষয়টি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র রেদোয়ান কবিরের অভিভাবক শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করলে শিক্ষামন্ত্রী প্রধান শিক্ষক মো. জিয়া হায়দারকে টেলিফোনে (০২৯৩৫৪০০৭ নম্বর থেকে) ফোন দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনা জানতে চান। প্রত্যুত্তরে প্রধান শিক্ষক শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, ‘কমিটির সিদ্ধান্তে বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা নিচ্ছিলেন’ বলে শিক্ষা অফিসার জানান।






মন্তব্য চালু নেই