মেইন ম্যেনু

সেমিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চায় বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। যুব বিশ্বকাপে তো বটেই; ক্রিকেটের বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার নজির এটাই প্রথম। কোয়ার্টার ফাইনালে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ।

সোমবার কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের পরই জানা যাবে, সেমিফাইনালে কে হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গী। তবে শেষ চারে প্রতিপক্ষ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। এমনটাই জানালেন বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জাকির হাসান।

রোববার অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমকে জাকির বলেন, বলেন, ‘অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেলে খুশি হব। ওদেরকে আমরা ৩ ম্যাচে হারিয়েছি, শক্তিতে এগিয়ে আছি। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেলেই বেশি খুশি হব।’

গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচের দুটিতে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন জাকির। অবশ্য একটা বলতে হবে। কারণ এক ম্যাচে তিনি বলই খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন মাত্র একটি, অপরাজিত ছিলেন শূন্য রানে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে করেছিলেন ১৯ রান। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে অপরাজিত ৭৫ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জাকির। রানে ফিরে তাই ভীষণ স্বস্তিতে এই ডানহাতি।

রানে ফেরার কারণ বলতে গিয়ে জাকির বলেন, ‘ম্যাচের আগে ৬-৭ দিন ধরে নেটে আমি খুব ভালো ব্যাট করছিলাম। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও ভালো খেলেছি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও কিছুটা অবদান রাখতে পেরেছিলাম। আত্মবিশ্বাস তাই কিছুটা ফেরত পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল আমি পারব।’

নেপালের বিপক্ষে প্রথম ৫৯ বলে ৩৬ রান করেছিলেন জাকির। তবে পরের ১৮ বলে যোগ করেন আরো ৩৯ রান। নিজের খেলার ধরন নিয়ে জাকির বলেন, ‘আমি সবসময় এভাবেই খেলি। গিয়েই শট খেলতে পারি না। আগে সেট হই, সময় নিয়ে খেলি।’

শেষ আটের ওই ম্যাচে এক সময় ৯৮ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক মিরাজের সঙ্গে ১১৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন জাকির।

ওই ম্যাচে নিজেদের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বলেন, ‘আমি উইকেটে যাওয়ার পর চিন্তা করেছি, আমাকে শেষ পর্যন্ত খেলতে হবে। তখন আমাদের পরিকল্পনা ছিল কমপক্ষে দেড় শ’ রান পর্যন্ত করব। তারপর পরিস্থিতি বুঝে এগোব। মাঠ অনেক বড় ছিল, প্রতি ওভারেই চার-পাঁচ রান করে আসছিল। বড় শট খেলার দরকারই ছিল না।’






মন্তব্য চালু নেই