মেইন ম্যেনু

সেলফি তুলছেন! জানেন, কি ক্ষতি হচ্ছে আপনার?

বর্তমানে সেলফি কে না তোলেন? সেলফি তোলাটা অনেকের কাছে আজকাল এক হবিতে পরিণিত হয়েছে। সময় সুযোগ পেলেই টুপ করে দুই চারটে সেলফি তুলে ফেলছেন আর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তা আপলোড করে দিচ্ছেন।

কেউ তো আবার কাজের মধ্যে ডুবে আছেন, এমন সেলফিও তুলে থাকেন। সেলফি তোলাটা সত্যি এক নেশা। তবে গবেষকরা বলেছেন, এটি একটি মানুসিক রোগ। আর বাস্তবতা হচ্ছে, এই ‘সেলফি’ মানুষের জীবনে ভীষণ রকম ক্ষতি ডেকে আনছে। তা, আপনার কী ক্ষতি ডেকে আনছে, তা আপনি হয়তো জানেন না।

সম্প্রতি গবেষণায় উঠে এসেছে, ‘সেলফি’তুললে সময়ের আগে চলে আসতে পারে বুড়িয়ে যাওয়া রোগ। এমনকী, ত্বকের নানা ধরণের সমস্যা তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে চামড়া কুঁচকে যাওয়া।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলের মাত্রাতিরিক্ত রেডিয়েশনের জন্য এই সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখন অধিকাংশ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী সেলফি অ্যাডিক্টেড। ফলে সেলফি তোলার সময় স্মার্টফোনের ক্যামেরা থেকে যে নীল আলো মুখের উপর পড়ে তা ত্বকের নমনীয়তাকে নষ্ট করে দেয়।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের দাবি, মোবাইলের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ত্বকের উপর যে প্রভাব ফেলে তাতে বয়সের আগে বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কারণ, এই রেডিয়েশনের ত্বকের ডিএনএ-এর গঠনকে নষ্ট করে দেয়। ত্বকের মধ্যে ‘অক্সিডেটিভ সেল’ তৈরি করে। এই সেল চামড়ার কুঁচকে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে দেয়।

ব্রিটেনের ‘লিনিয়া স্কিন ক্লিনিক’ সেলফি-র এই খারাপ প্রভাব নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। গবেষণাকেন্দ্রটির ডিরেক্টর সাইমন জোয়াকেই-এর মতে, ‘যাঁরা অত্যাধিক মাত্রায় সেলফি তোলেন তাঁদের মুখের একপাশে কালো কালো প্রচুর দাগ দেখতে পাওয়া যায়।

অনেকে ভাবেন স্কিনের সামান্য সমস্যা। কিন্তু, এটা হয় সেলফির জন্য। কারণ, সেলফি তোলার সময় যে মোবাইল ফোনটি ধরে থাকে তাঁর মুখের একটা অংশ ক্যামেরার দিকে সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে। ফলে, মোবাইল রেডিয়েশনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে তার উপরে।’






মন্তব্য চালু নেই