মেইন ম্যেনু

‘সে পর্নে খুব আগ্রহী হলেও যৌনতায় একেবারেই আগ্রহী নয়!’

সম্প্রতি এক নারী অভিযোগ করেছেন তার সঙ্গী অনলাইনে সব সময় পর্নোগ্রাফি অনুসন্ধান করলেও বাস্তব জীবনে যৌনতায় মোটেও আগ্রহী নয়। এ বিষয়টি তিনি একজন বিশেষজ্ঞের কাছে অভিযোগ করে তার সমাধান কী হতে পারে, সে সম্পর্কে পরামর্শ চেয়েছেন। তার এ বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন ম্যারিলা ফ্রস্টরাপ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে গার্ডিয়ান। সে নারী জানান, ‘আমার সঙ্গীকে এককথায় যৌনতায় নেশাগ্রস্ত বলা যায়। কারণ সে পর্নোগ্রাফিতে সব সময়েই আগ্রহী।

সে ইন্সটাগ্রাম ও টুইটারে পর্ন অ্যাকাউন্টগুলো ফলো করে। এমনকি রাতেও প্রায় সময় সেগুলো সার্চ করে। এতে আমার কোনো সমস্যা নেই। কারণ আমিও সে বিষয়ে আগ্রহী। তবে তার মতো নয়।’ তিনি আরও জানান, ‘সমস্যা শুরু হয় অন্য বিষয়ে। তাকে ক’দিন আগে আমি ধরি অন্য এক নারীকে অযাচিত মেসেজ পাঠানোর দায়ে। তবে সে জানায়, তার সঙ্গে অন্য কোনো সম্পর্ক নেই।

এটি শুধুই কিছু শব্দ। ঘটনাটি সেখানেই শেষ হয়।’ ‘আমি তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। কারণ সে নানা কাজে ব্যস্ততার অজুহাত দেখায়। এটি আমার জন্য অনেকটা বিরক্তিকর যে, সে অনলাইনে অন্য নারীদের দেখে। তবে নিজে যৌনতায় অনাগ্রহী।’ এ সমস্যার সমাধানে ম্যারিলা বলেন, এ বিষয়টি সত্যিই আশ্চর্যজনক যে, তিনি পর্নোগ্রাফিতে আগ্রহী হলেও নিজে যৌনতায় অনাগ্রহী। এ বিষয়টি শুধু তার ক্ষেত্রেই নয়, বহু মানুষই এমন সমস্যায় আক্রান্ত। অনেক মানুষই বর্তমানে অনলাইনে ক্রমে বেশি করে সময় ব্যয় করছে।

অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় ব্যয়, বিভিন্ন কাজ করা কিংবা অন্ধকার জগতের ফ্যান্টাসি খুঁজে ফেরা অনেকের কাজ হয়ে উঠেছে। এতে বাস্তব জীবন তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে বাস্তব জীবন অনলাইনের মতো ঝকঝকে না হওয়ায় তা মলিন বলেই মনে হচ্ছে অনেকের কাছে। আপনার সঙ্গী বাস্তব জগতে থেকেও অনলাইনে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। সে অনলাইনেই এখন বাস্তব জগতের তুলনায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ভার্চুয়াল সেক্সই বাস্তব যৌনতার তুলনায় তার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

বহু মানুষই বর্তমানে এ সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। আপনি একা নন, বহু নারীর কাছ থেকেই একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, তাদের স্বামী অনলাইনে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হলেও যৌনতায় অনাগ্রহী। এ সমস্যার সমাধান হতে পারে আপনার সঙ্গীকে অনলাইনের অবাস্তব জগতে সময় কাটানো কমিয়ে দিয়ে বাস্তবতায় মনোযোগী হতে উৎসাহিত করা। এ ক্ষেত্রে ভুলে গেলে চলবে না মূল চালিকাশক্তি আপনার হাতে। বাস্তব প্রচেষ্টার মাধ্যমে ধৈর্য ধরে চেষ্টা করে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।






মন্তব্য চালু নেই