মেইন ম্যেনু

সোনালী ব্যাংক মহাব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে মামলা

সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ননী গোপাল নাথের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নির্ধারিত সময়ে কমিশনে সম্পদ বিবরণী জমা না দেয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ নন-সাবমিশন মামলাটি করা হয়।

রোববার রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মুজিবর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলা নম্বর ৩৩। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বাংলামেইলকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১২ সালে হলমার্ক কেলেঙ্কারি অনুসন্ধান শুরুর সময় সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন জিএম ননী গোপাল নাথের বিরুদ্ধে সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে কমিশন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৩ সালের ১ এপ্রিল তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ করে কমিশন। কিন্তু ওই সময় তাকে বর্তমান ও অফিস ঠিকানায় না পাওয়ায় চট্টগ্রাম-২ এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর তার গ্রামের ঠিকানায় ছোট ভাই শিমুল দেবনাথ ও একই এলাকার রণজিৎ নাথের কাছে তা পাঠিয়ে নোটিশ জারি করা হয় এবং সেই নোটিশ দেয়ালে ঝুলিয়ে দেয়া হয়। নোটিশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তার ও তার ওপর নির্ভরশীলদের স্থাব-অস্থাবর যাবতীয় সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়। পরে একই বছরের ১৫ নভেম্বর নোটিশ পেয়েছে মর্মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জানায় দুদকের চট্টগ্রাম শাখা।

কিন্তু ননী গোপাল নাথ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনে তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। এমনকি সম্পদ বিবরণী দাখিলের সময়ের জন্যও আবেদন করেননি। আর নির্ধারিত সময়ে সম্পদের হিসাব কমিশনে দাখিল না করায় দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬ (২) (ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে প্রমাণিত হয়। তাই কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আজ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংকের সাময়িক বরখাস্তকৃত জিএম ননী গোপাল নাথ চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই থানার মিঠাছড়া গ্রামের জগেন্দ্র কুমার নাথের ছেলে। ঢাকার ১২/২, কেএম দাস লেন, টিকাটুলি তার বর্তমান ঠিকানা। তিনি হলামর্ক কেলেঙ্কারিতে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলার চার্জশিটভুক্ত অন্যতম আসামি। আর এ অপরাধে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি নিখোঁজ আছেন।






মন্তব্য চালু নেই