মেইন ম্যেনু

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের আরো ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের আরো পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। পর্যায়ক্রমে এ জিজ্ঞাসাবাদ দুপুর পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা হলেন সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের বংশাল শাখার ভিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. তাহির-উজ-জামান, একই শাখার এফএভিপি ও অপারেশন ম্যানেজার আহাম্মদ আজিম, সিনিয়র অফিসার রুবাইয়াত আনা, রোকেয়া সরণি শাখার এফএভিপি মো. সলিমউল্লাহ ও দনিয়া রসুলপুর শাখার সিনিয়র অফিসার সাইফুল কবীর আহমেদ।

এর আগে গতকাল (রোববার) ওই একই ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

এ বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর প্রায় পৌনে দুই বছর পর হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের অভিযোগ তদন্তে অনুসন্ধান দল পুনর্গঠন করা হয়।

দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা হলেন দুদকের উপপরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূঁঞা, সহকারী পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত, সেলিনা আখতার মনি, উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ও রাফী মো. নাজমুস্ সাদাৎ।

হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের এ অভিযোগ কমিশনের ‘শিডিউলভুক্ত অপরাধের’ তালিকায় থাকা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে দীর্ঘদিন এ অনুসন্ধান কার্যক্রম বন্ধ ছিল। প্রায় দেড় বছর অনুসন্ধান বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের আগস্ট মাসে এ অনুসন্ধান আবার শুরু হলেও নানা জটিলতায় অনুসন্ধানের কাজে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

দুদক সূত্র আরো জানায়, হল-মার্ক ও তার পাঁচ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেডসহ মোট ৩ হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ছিল। এর মধ্যে ফান্ডেড অংশের তদন্ত শেষ করেছে কমিশন। এ অংশে দায়ের করা মোট ৩৮টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলাগুলোর অভিযোগপত্র এরই মধ্যে আদালতে দাখিল করে কমিশন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ২০১৪ সালের ১৩ মে পুনরায় অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয় কমিশন।

৩৭টি ব্যাংকের ১২০টি শাখায় হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যাংক থেকে হল-মার্ক নগদ হাতিয়ে নিয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। নন-ফান্ডেড অংশের জালিয়াতিতে আক্রান্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরকারি সাতটি, বেসরকারি ২৫টি ও বিদেশি পাঁচটি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকর সঙ্গে হল-মার্ক সুতা, তুলা, ফেব্রিক্স ও এক্সেসরিস সরবরাহ করেছে মর্মে জালিয়াতি করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই