মেইন ম্যেনু

সৌদিতে কর্মসংস্থানে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

সৌদি আরবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সৌদিতে ভারতীয় শ্রমিকের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জানতা কা রিপোর্টার দেশটির সরকারের সর্বশেষ প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে সৌদি আরবে কীভাবে ভারতীয় শ্রমিকদের সংখ্যা কমছে তা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া সৌদিতে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শ্রমিকদের সংখ্যা যে বাড়ছে সে চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে ওই পরিসংখ্যানে।

পরিসংখ্যান বলছে, আরব অঞ্চলের এই দেশটিতে ২০১৩ সালে মাত্র ২ শতাংশ (১২ হাজার ৬৫৪ জন) বাংলাদেশি শ্রমিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে সৌদিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান দুই বছর আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। গত বছর সৌদিতে কর্মসংস্থান হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯১৩ বাংলাদেশি শ্রমিকের। ২০১৩ সালে এ সংখ্যা ২ শতাংশ হলেও গত বছর তা ১৯ শতাংশে পৌঁছেছে।

একই সময়ে (২০১৩ সালে) সৌদিতে কাজে যোগ দিয়েছে ৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ পাকিস্তানি। ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৭ জনে; যা দুই বছর আগের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি।

ওই পরিসংখ্যান বলছে, নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সৌদি আরবের বিভিন্ন খাতে ভারতীয় শ্রমিকদের সংখ্যায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে। ২০১৩ সালে সৌদি আরবে গেছেন ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬৫ জন ভারতীয় শ্রমিক। যা ওই বছর সৌদিতে কাজের জন্য যাওয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট শ্রমিকের ৫৫ শতাংশ।

এক বছর পর ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতা নেয়ার পর ভারতীয় শ্রমিকদের সৌদি গমনে নাটকীয় পতন ঘটেছে। ২০১৬ কাজের জন্য সৌদিতে পাড়ি জমিয়েছেন মাত্র এক লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৬ জন ভারতীয় শ্রমিক। ২০১৩ সালে সৌদিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট শ্রমিকের ৫৫ শতাংশ ভারতীয় হলেও ২০১৬ সালে তা নেমে এসেছে ২১ শতাংশে।

ভারতে বিজেপি নেতৃত্তাধীন এনডিএ জোট সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশটিতে দুই কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তব রূপ লাভ করেনি। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিং রাজ্যসভার অধিবেশনে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারি ব্যর্থতার কথা স্বীকারও করেছেন।

সূত্র : সিয়াসাত।






মন্তব্য চালু নেই