মেইন ম্যেনু

সৌদিতে হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বেচতে যাচ্ছেন ট্রাম্প?

সৌদি আরবের সঙ্গে প্রায় হাজারো কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তির লক্ষ্যে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব যাচ্ছেন। সে সফরকে কেন্দ্র করেই ওই প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে দুটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দি ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, যুদ্ধযান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সিটুবিএমসি সফটওয়্যার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের স্যাটেলাইট সুবিধা এ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আনুমানিক মূল্য হতে পারে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে উৎপাদন খাতকে শক্তিশালী করে মার্কিনিদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসের গদিতে বসার পর চলতি মাসেই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সফরে বের হচ্ছেন ট্রাম্প। এ সফরে তিনি ভ্যাটিকান, ইসরায়েল ও সৌদি আরব ভ্রমণ করবেন। এর মধ্যে সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ইসরায়েলের সঙ্গেও দেশটির সামরিক সখ্য রয়েছে।

ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে হতে যাওয়া ওই চুক্তিতে থাকতে পারে ১০০ কোটি ডলার মূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সিটুবিএমসি সফটওয়্যার ব্যবস্থা ও বিভিন্ন ধরনের স্যাটেলাইট সুবিধা। এ ছাড়া চুক্তির অংশ হিসেবে একটি ব্রাডলি যুদ্ধযান ও একটি এম-১০৯ কামানবাহীযান থাকছে বলে জানা গেছে। এর বাইরেও চুক্তির আরো কয়েকটি বিষয় বিবেচনাধীন রয়েছে।

এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের সঙ্গে পারমাণু সমঝোতা চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ফাটল ধরে। সে সম্পর্ক মজবুত করতেই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

২০১৫ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে এক হাজার ১০৫ কোটি ডলার মূল্যের চারটি যুদ্ধজাহাজের বিক্রয় চুক্তি অনুমোদন করে যুক্তরাষ্ট্র। কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকা ওই চুক্তিও ট্রাম্পের সফরের মাধ্যমে আলোর মুখ দেখতে পারে বলে মনে করছেন দেশটির কর্তাব্যক্তিরা।

এ ছাড়া এবারের চুক্তিতে থাকছে ১০০ কোটি ডলারের দুই ধরনের বোমা। বিশেষ ওই বোমাগুলো সৌদি আরবের কাছে বিক্রি করবে না বলে জানায় ওবামা প্রশাসন। ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসনের কারণেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওবামা।

যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন টাইমসকে জানান, ওবামা সরকার যে চুক্তিগুলো রদ করেছিল, সেগুলো এবার আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই