মেইন ম্যেনু

সৌদি মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে চিতা

সৌদি আরবের এক মসজিদে চিতা প্রবেশের ঘটনায় মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে ভদ্র বাঘটি কাউকে কামড়ায়নি। সে মসজিদে ঢুকে চুপটি করে বসেছিল।

সম্প্রতি আল কাসিম অঞ্চলের রাজধানী বুরাইদাহ’র এক মসজিদে ঢুকে পড়ে ওই পোষা চিতাটি। এরপর শান্তভাবে বসে বসে নামাজরত মুসল্লিদের দেখতে থাকে জন্তুটি। কিন্তু উপাসনালয়ে এরকম একটা বন্যপ্রাণির উপস্থিতিতে ঘাবড়ে যান মুসল্লিরা। তারা দ্রুত পুলিশ ডাকেন। পুলিশ বাঘটিকে খাচাবন্দি করার আগেই ছুটে আসেন এর মালিক আবদুল্লাহ আল নাগশিমি। তিনি নিজের পোষা জন্তুটিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
স্থানীয় এক নিউজ পোর্টালে দেয়া সাক্ষাৎকারে আবদুল্লাহ তার বাঘটিকে ‘নিরীহ আর স্নেহশীল’ হিসেবে দাবি করে বলেছেন,‘ ও খুব ভালো। ওকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ও আমার ছয় বছরের মেয়ে আর ছয় মাসের ছেলেটা তো ওর সঙ্গেই খেলা করে। আমার প্রতিবেশীরাও চিতাটিকে খুব ভালোবাসে।’

একসময় বাড়িতে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আর সিংহ পুষতেন আবদুল্লাহ। এখন কেবল চিতাবাঘটিকেই পুষছেন। তিনি ছয় বছরের এই জন্তুটি তার পরিবারেরই এক সদস্য হিসেবেই মনে করেন।

তবে চিতাটি কীভাবে মসজিদে ঢুকে পড়েছিল তা এক রহস্যই বটে। সেই রহস্য উদঘাটন করেছেন স্বয়ং আবদুল্লাহ। তিনি জন্তুটিকে মসজিদ সংলগ্ন এক পশুকেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে গোসল শেকরানোর জন্য চিতাটিকে কেন্দ্রের কর্মীদের জিম্মায় ছেড়ে আসেন। কিন্তু ফটকের রক্ষীকে ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে আসে চিতাটি। এরপর সোজা মসজিদে।

সে দিনের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে আবদুল্লাহ বলেন,‘আমি ফোন পেয়ে মসজিদে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি সেখানে গিজগিজ করছে পুলিশ। এত লোকের মাঝখানে শান্তভাবে বসে আছে চিতাটি। সে কাউকে কোনো আঘাত করেনি। আমাকে দেখেই ছুটে আসে।’

তবে এ ঘটনা গোটা দেশ জুড়ে বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। সৌদি স্যোসাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়েছে মসজিদে বাঘ প্রবেশের ভিডিওটি।






মন্তব্য চালু নেই