মেইন ম্যেনু

সৌরবিদ্যুৎ কাজে লাগানোর অভিনব উপায়

নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সারা পৃথিবীতে সৌরবিদ্যুৎ কাজে লাগানো হচ্ছে। সূর্যের আলোকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য একটি প্যানেলের প্রয়োজন হয় । এই প্যানেলকেই বলা হয় সোলার প্যানেল। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাম-গঞ্জ এবং শহরের আঁধার তাড়াতে বিদ্যুতের যোগান দিচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। কিন্তু এই সোলার প্যানেল কিভাবে কাজ করে এটা কি কেউ কখনও ভেবে দেখেছে?

সোলার প্যানেল সূর্যের আলোকে পুনঃব্যবহারযোগ্য কারেন্টে পরিবর্তন করে। কিন্তু বর্তমান সময়ের সোলার প্যানেলগুলোর পক্ষে এ কাজ করা ঝামেলাপূর্ণ। কেননা, সোলার প্যানেলের মোট ক্ষমতার গড়ে মাত্র কুড়ি শতাংশ ক্ষমতাকে কাজে লাগানো সম্ভব হয়। এর মানে প্যানেলের সাহায্যে মাত্র কুড়ি ভাগ সূর্যের আলো কাজে লাগানো যায়। আর বাকি আশি ভাগ কেনো কাজেই লাগে না। একটি সোলার প্যানেলের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ কাজ করার ক্ষমতাকে আমরা কাজে লাগাতে পারি না। ভেবে দেখুন কতো অপচয়?

আবার প্রত্যেক সোলার প্যানেলের এক-দশমাংশ পর্যন্ত অ্যাকটিভ কালেকশন এরিয়া ইলেকট্রিক্যাল লিডের কারণে সূর্যের আলোর অন্তরালে থাকে। একে কন্টাক্ট ফিংগারও বলা হয়।

তাই গবেষকেরা এই যন্ত্রের অলস ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর অভিনব উপায় বের করেছেন। কার্লসরু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি’র একদল গবেষক সোলার প্যানেলের সর্বোচ্চ ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর উপায় সৃষ্টি করেছেন। সৌর প্যানেলের ফিংগার কন্টাক্ট অংশটিকে তারা অদৃশ্যমান পলিমার কোটিং দিয়ে মুড়িয়ে দিয়ে এই উপায় বের করেছেন। আর এতেই কেল্লা ফতে। ফলে ফিংগার কন্টাক্ট অংশটি মোড়ানোর পরও তা খালি চোখে দেখা যায়।

ফিংগার কন্টাক্ট এর ওপর যখন আলো পড়ে, তখন সে আলোকে আবার নিচে থাকা সোলার প্যানেলে পাঠানো হয়। পদার্থ বিদ্যার চালাকি দিয়ে এটি করা হয়। গবেষকদের দল অবশ্য এ কাজে সফলতা অর্জনের জন্য দু’টি বিকল্প উপায় নিয়ে কাজ করছেন।

প্রথম উপায়ে চমৎকারভাবে টিউন করানো প্রতিসরনাঙ্কের সঙ্গে পলিমার কোটিং এ ফিংগার কন্টাক্টকে মোড়ানো হয়। আর অন্য উপায়ে কন্টাক্ট ফিংগারের চারপাশে আলোর গতিপথে পরিবর্তন ঘটানো হয়।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই