মেইন ম্যেনু

সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরী হচ্ছে ‘সৌর রাস্তা’

বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে নানা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে সূর্য থেকে পাওয়া শক্তিকে। তারপরও থেমে নেই সৌর শক্তি নিয়ে গবেষণার কাজ। ছোট ছোট পরিসরে সৌর রাস্তা তৈরি হলেও এবার গবেষকরা বড় আকারে এই প্রকল্প নিয়ে কাজ করবেন বলে ঠিক করেছেন। পরিকল্পনা ঠিক মতো হলে সৌর রাস্তা দিয়ে চলবে বিভিন্ন গাড়ি।

টিভি পর্দা বা বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিনগুলো দেখলেই বুঝা যায় এ বছর সৌর রাস্তা নিয়ে কি পরিমাণ গবেষণা ও প্রকল্প নিয়ে কথাবার্তা বলেছেন গবেষকরা। আধুনিক ফটোভোল্টাইক সেল দিয়ে এই রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করেছেন তারা। এই সেলগুলো আবার পরিচিত সৌর প্যানেল নামেও। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, সৌর প্যানেলগুলো কাজ করবে নিশ্চিতভাবে ১৫ থেকে ২০ বছর। এগুলো খুব সহজেই স্থানান্তর করা যাবে।

বর্তমানে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই রয়েছে প্রায় ৪ লাখ মাইল সৌর রাস্তা। সারা বিশ্বে মোট সৌর রাস্তা রয়েছে ১১ লাখ ২০ হাজার মাইল। তবে ইচ্ছে করলেই এসব সৌর রাস্তায় আপনি গাড়ি বা হাঁটাচলা করতে পারবেন না। তাহলে সব সৌর প্যানেল আবার মেরামত করতে হবে। এজন্য সৌর প্যানেল ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী রাস্তা তৈরির চিন্তা-ভাবনা করছেন বিজ্ঞানী বা গবেষকরা।

তবে চিন্তা-ভাবনা করেই বসে নেই বিজ্ঞানীরা। এরমধ্যে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল হাইওয়ে এ্যাডমিনিস্ট্রেশন তৈরি করেছে প্রথম সৌর রাস্তার প্যানেল ফটোটাইপ। সৌর সেলসের সঙ্গে গ্লাস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্যানেল। এটা সহজেই চিহ্নিত করতে পারবে গাড়ির ওজনসহ অন্যান্য বিষয়।

সৌর রাস্তা এখনও বড় আকারে নির্মাণ হয়নি। তবে কাজ শুরু হলে উপকৃত হবেন যানবাহন চালকরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী চার্জ চালিত যাববাহন বা গাড়িগুলো সৌর রাস্তা থেকে চলন্ত অবস্থায় চার্জের কাজ সম্পন্ন করতে পারবে। ফলে দূষণ যেমন কমবে তেমনি তেলের ওপর চাপও কমবে।






মন্তব্য চালু নেই