মেইন ম্যেনু

স্কুলছাত্র হিমেল হত্যায় ৬ জনের ফাঁসি

চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দাশ সুপন হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ আদেশ দেন। এর আগে গত সোমবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এ রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা স্থগিত করে ৯ মার্চ রায় ঘোষণার সময় নির্ধারণ করেন আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাহমুদুল ইসলাম, সুনীল দাশ, মিজুনার রহমান চৌধুরী, মো. হোসেন প্রকাশ সাগর, নজরুল ইসলাম প্রকাশ লাল মিয়া ও মো. সেলিম। এদের মধ্যে কিশোর হিমেলের দূর সম্পর্কের চাচা সুনীল দাশসহ চারজন কারাগারে আছেন। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ৮ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার চারদিন আগে নিখোঁজ হয় চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দাশ সুপন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মাহমুদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামের সঙ্গে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়ে অপহৃত হয় হিমেল।

১৩ মে হিমেলের মা পাপিয়া সেন বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে যা মামলায় রূপান্তর হয়। ১৪ মে বান্দরবানের দুর্গম নাগাঝিরি পাহাড় থেকে নগরীর ডবলমুরিং থানা পুলিশ হিমেলের লাশ উদ্ধার করে।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি মাহমুদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানান, হিমেলের চাচা সুনীল দাশের পরিকল্পনায় তাকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে। সম্পত্তির লোভে সুনীল দাশ এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন।

২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে আসামি করে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১২ সালের ২৭ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭, ৮/৩০ ও দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষি করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই