মেইন ম্যেনু

স্কুলের গণ্ডি পেরোয়নি ২২৪ প্রার্থী, নিরক্ষর বেশি বিএনপিতে

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মোট মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ২২৪ জনই স্কুলের গণ্ডি পেরুতে পারেনি। নিরক্ষর বা স্বল্প শিক্ষিত প্রার্থীর শতকরা হার আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপিতেই বেশি।

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এক গবেষণায় এ তথ্য তুলে ধরে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘৯০৪ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৩৪১ জনের (৩৭.৭২%) শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর। আওয়ামী লীগের ২২১ প্রার্থীর মধ্যে এই সংখ্যা ৯০ অর্থাৎ ৪০.৭২ শতাংশ, আর বিএনপির ২০৬ প্রার্থীর মধ্যে ৮৩ জন (৪০.২৯%)। ৯০৪ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ২২৪ জন (২৪.৭৭%) বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরুতে পারেননি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪০ জন (১৮.১%) এবং বিএনপিরও ৪০ জন (১৯.৪২%)। তবে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় শতকরা হারে বিএনপিতেই বেশি।’

বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, উচ্চ শিক্ষিত প্রার্থীর ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবস্থা প্রায় একই রকম হলেও, নিরক্ষর বা স্বল্প শিক্ষিত প্রার্থীর শতকরা হার বিএনপিতেই বেশি।

প্রার্থীদের পেশা সম্পর্কে দিলীপ কুমার বলেন, ‘৯০৪ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৬৫২ জনই (৭২.১২%) ব্যবসায়ী। আওয়ামী লীগের ২২১ প্রার্থীর মধ্যে এ সংখ্যা ১৬৫ জন (৭৪.৬৬%), বিএনপির ২০৬ প্রার্থীর মধ্যে ১৬২ জন (৭৮.৬৪%)। অন্যান্য নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ব্যবসায়ীর হার প্রায় ৪% বেশি।’

লিখিত বক্তব্যে প্রার্থীদের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দলভিত্তিক এবং দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই দেশবাসীর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে এই নির্বাচনকে ঘিরে। তবে নির্বাচনটি কেমন হবে, তা নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। ইতোমধ্যেই ঘটে যাওয়া কিছু কিছু ঘটনা এই সন্দেহ ও সংশয়কে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।’

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সুজন নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সুজন নির্বাহী সদস্য ড. হামিদা হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই