মেইন ম্যেনু

স্ত্রীর পরকীয়ার বলি স্বামী, আটক ৫

অবশেষে ৩ মাস আগে খাগড়াছড়ির গুইমারায় খুন হওয়া অজ্ঞাত লাশের মুল পরিকল্পনাকারীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিচয় পাওয়ার পর বেরিয়ে আসে হত্যার আসল রহস্য। পরকিয়া প্রেমের পথে বাঁধা হয়ে দাড়ানো ও সম্পদ আত্মসাতের লোভে খুন করা হয় রামগড় পৌরসভার চৌধুরীপাড়া এলাকার প্রবাস ফেরত মোমিনুল হককে।

এ ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৪) কে সোমবার রাতে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে মঙ্গলবার সকালে রামগড়ের চৌধুরীপাড়ার সাইফুল ইসলাম (২২), গুইমারার ফিরোজ (২৪), আবুল কালাম (২৩), বাবুল (৪৫) কে রামগড়, গুইমারা ও ফেনীতে অভিযান চালিয়ে আটক করে পুলিশ।

সহকারী পুলিশ সুপার মো: কাজী হুমায়ুন রশিদ এর নেতৃত্বে রামগড় ও গুইমারা থানা পুলিশ সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে খুনের সাথে জড়িকদের আটক করে বলে তিনি জানান। পুলিশের প্রাথমিক ভাকে ধারণা এ হত্যাকান্ডে পারিবারিক কলহ ও অর্থ-নৈতিক কারনে ঘটে থাকতে পারে।

জানা গেছে, নিহত মমিনুল হক চলতি বছরের ৩ ফেব্রয়ারী সৈদি আরব গমনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ৬ ফেব্রুয়ারী গুইমারার কবুতরছড়ায় এলাকায় নিহতের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে গুইমারা থানা পুলিশ। লাশের পরিচয় না পাওয়ায় পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা করে। অজ্ঞাত লাশের মামলার সন্দেহ জনক ৫জনকে আটক করে আদালতে প্রেরন করলে ২ আসামী জামিনে রয়েছে বলে জানা যায়।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, মোমিনুল হক রামগড়ের পূর্ব চৌধুরীপাড়ার মৃত রবিউল হোসেন সওদাগরের ছেলে। ২০০১ সালে ইসলাম ধর্মের বিধান মতে রাবেয়ার সাথে মোমিমুল হকের বিয়ে হয়। তাদের সাংসারে ৯ বছর বয়সী মো: আলী নামে এক ছেলে ও রহিমা আক্তার নামে ১৪ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহতের মোমিনুল হক ৬ ভাই, ৩ বোনের মধ্যে সবার বড়। এ দিকে মোমিনুল হকের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছে নিহতের স্বজনরা।






মন্তব্য চালু নেই