মেইন ম্যেনু

স্বাভাবিক হচ্ছে বিমান চলাচল

ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’র প্রভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকলেও আবহাওয়া অধিদফতরের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর আবারো চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

শনিবার বিকেলে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করেছে। আবহাওয়া অধিদফতরের এমন ঘোষণার পর ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় সিভিল অ্যাভিয়েশন।

এদিকে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আন্তর্জাতিক রুটের দু’একটি ফ্লাইট অবতরণ করলেও অভ্যন্তরীণ রুটের কোনো উড়োজাহাজ উঠা নামা করেনি।

এর আগে শনিবার সকালে বিমানবন্দরের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগ বিমানবন্দরের উড্ডয়ন কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। জটিল পরিস্থিতিতে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিমান উঠা-নামা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে দেরিতে ছেড়ে যাওয়া এয়ারলাইন্সগুলো হলো; কুয়ালালামপুরগামী মালিন্দো এয়ার, মালেয়েশিয়ান এয়ার, দোহাগামী কাতার এয়ারলাইন্স, শারজাহগামী এয়ার অ্যারাবিয়ান এবং হংকংগামী হংকং এয়ারলাইন্স।

সিভিল অ্যাভিয়েশনের গ্রাউন্ড সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইফতেখার আলম বলেন, শাহজালালে দেরিতে অবতরণ করা ফ্লাইটগুলো হচ্ছে কাঠমান্ডু থেকে আগত ড্রাগন এয়ার, দোহার কাতার এয়ারওয়েজ, দোহার ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এবং রিয়াদের সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স।

বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় নিয়ে শনিবার অভ্যন্তরীণ রুটে কোন ফ্লাইট চলাচল করেনি। এ বিয়য়ে নভোএয়ারের ম্যানেজার মাহফুজুল আলম জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাদের সব ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। রাতে পরিস্থিতি ভালো হলে সকাল থেকে কক্সবাজার ও চট্রগ্রাম ছাড়া অভান্তরীণ রুটের অন্যান্য গন্তব্যে যথারীতি ফ্লাইট চলাচল শুরু করবে।






মন্তব্য চালু নেই