মেইন ম্যেনু

স্বাস্থ্যকর দাম্পত্য : যুক্তিপূর্ণ তর্ক করুন, নোংরাভাবে নয়

দম্পতি বা প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হওয়াটা সাধারণ বিষয়। তবে তা যদি স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়, তাহলে যুদ্ধের কোনো সম্ভাবনা থাকে না। বিষয়টি অস্বাস্থ্যকর হলেই বিপদ। কিন্তু তর্ক-বিতর্ক চলতেই পারে। এটা ছাড়া সিদ্ধান্তে আসা কঠিন ব্যাপার। তাই সুষ্ঠু উপায়ে তর্কের কাজটি সারতে হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কিভাবে কাজটিকে স্বাস্থ্যকার ও কার্যকর করা যায়।

১. অপরের প্রতি অভিযোগ থাকলে তা দোষ আকারে তুলে ধরবেন না। বরং কোন বিষয়গুলো আপানাকে কষ্ট দেয় তা তুলে ধরুন।

২. অপরের কার্যকলাপ আপনার আবেগে কিভাবে আঘাত করে তা বলুন। কিন্তু একে রুক্ষভাবে তুলে ধরবেন না। যেমন- তুমি সব সময় আমাকে অপমান করো ইত্যাদি।

৩. যে কাজে কষ্ট পেয়েছেন তা অন্য কোনোভাবে করলে আপনার ভালো লাগতো তা বুঝিয়ে দিন।

৪. অপরের প্রতিক্রিয়া অন্যভাবে হলে আপনি কেমন বোধ করতেন তা তুলে ধরুন। যেমন- কাজটি এভাবে করলে আপনি গর্বিত হতেন।

তবে একজন যখন কোনো কতা বলতে থাকবেন তখন অপরজনকেও মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে। শোনার কাজটি যেভাবে করবেন-

১. আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী তার অভিযোগ তুলে ধরার পর সেগুলো আপনার মুখে পুনরাবৃত্তি করুন। যেমন- তুমি অপমানিত বোধ করেছো। তুমি এভাবে আশা করেছিলে ইত্যাদি। এতে করে সমস্যা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠবে এবং অভিযোগকারী বুঝতে পারবেন যে, আপনার কাছে তার বক্তব্য পরিষ্কার হয়েছে।

২. আপনার সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করবেন। শুধুমাত্র ‘দুঃখিত’ বলার আগে আরো কিছু বলুন। যেমন- আমি বুঝতে পেরেছি যে আমার ভুল হয়েছে। অথবা আমার এমন আচরণ করা উচিত হয়নি। আমাকে ভুল বুঝো না। আমি দুঃখিত।

এ ধরনের আলোচনায় সঠিক শব্দের ব্যবহার খুবই জরুরি। নেতিবাচক কথা এড়িয়ে চলুন। বক্তব্যে আন্তরিকতা ফুটিয়ে তুলুন। অস্থির হয়ে পড়বেন না। নিজেকে সংযত করুন। বোধশক্তি দিয়ে অপরের কষ্ট অনুধাবনের চেষ্টা করুন। সম্মতি বোঝায় এমন কথা বলুন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া






মন্তব্য চালু নেই