মেইন ম্যেনু

স্মার্টফোনের লোভে দেহ ব্যবসায়!

ইচ্ছাপূরণ করতে রোজগারের জন্য দেহ ব্যবসায় নামল ভদোদরার ত্রয়োদশী।

বন্ধুদের হাতে প্রায়ই দেখা যায় ঝাঁ-চকচকে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ। লোভ হলেও অভাবের সংসারে শখ মেটানো দায়। তাই বছর খানেক আগে যৌন ব্যবসায় নামে ভদোদরার বাসিন্দা বছর তেরোর কিশোরী। পরিবারের অজ্ঞাতসারে স্বেচ্ছায় দিনের পর দিন ফাঁকা বাড়িতে বিভিন্ন পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয় সে।

নিজেকে গর্ভবতী আবিষ্কার করে অবশেষে মায়ের কাছে বিস্তারিত জানায় সে। তবে মা অনেক বোঝালেও পেশা ছাড়তে অস্বীকার করে কিশোরী। মেয়েকে সুপথে ফেরাতে বাধ্য হয়ে মনোবিদের সাহায্য প্রার্থনা করেন ওই মহিলা।

এদিকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়তে শুরু করে মেয়ের মেজাজ। এক সময় তাকে আনন্দ শহরে মামার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে বেশি দিন সে টেকেনি। দস্তুর মতো আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে ফের ভদোদরায় ফিরে আসে সে।

এর পর শহরের স্বচ্ছল পরিবারের কিছু ছেলেমেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। তাদের কাছে হালফিলের বৈদ্যুতিন সামগ্রী দেখে লোভ হয়। অথচ পরিবারের সেই আর্থিক সংস্থান না থাকায় প্রথমে মুষড়ে পড়েছিল কিশোরী। কিছু দিন পর টাকা রোজগারের নয়া রাস্তা খুঁজে পায় সে।

গণিকাবৃত্তি করে রাতারাতি মোটা আয় শুরু করে, তবে সব কিছুই মায়ের অজান্তে। সারা দিন দোকানে ব্যস্ত মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্জন বাড়িতে নিয়মিত গ্রাহকদের আমন্ত্রণ জানাতে শুরু করে মেয়ে। দেহ ব্যবসার কাজে দ্বিতীয় একটি মোবাইল ফোন কিনে ফেলেছিল সে, তবে প্রকাশ্যে তা ব্যবহার করত না।

অর্থ উপার্জনের জন্য এই পথ যে অনৈতিক ও বেআইনি, তা কিছুতে মানতে চায়নি ত্রয়োদশী। কোনও বিবেকের দংশনেও ভোগেনি। তবু হাল না ছেড়ে চেষ্টা চালিয়ে যান তারা।






মন্তব্য চালু নেই