মেইন ম্যেনু

হতাশায় ভুগছেন দীপিকা!

২০১৫ সাল বলিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনের জন্য এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। কারণ এই বছরটিই তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এনে দিয়েছে। এবং এই বছরেই অভিনেত্রী হিসেবে অন্য উচ্চতায়ও আসিন হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।

পিকু এবং বাজিরাও মাস্তানির উপর ভর করে তিনি জিতে নিয়েছেন ভারতের প্রায় সব ফিল্ম ফেস্টিভালে সেরার পদক। কিন্তু তারপরও হতাশ দীপিকা!

গত বছরে মুক্তি পেয়েছে দীপিকা পাডুকোন অভিনীত দুটি সিনেমা। একটি সুজি সরকারের পিকু, এবং অন্যটি গেল বছরের ডিসেম্বরে মেধাবী নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালির বাজিরাও মাস্তানি। এই দুই সিনেমায় অভিনয় করে বক্স অফিসে যেমন প্রভাব ফেলেছেন, ঠিক তেমনি সিনেবোদ্ধাদেরও প্রশংসায় ভেসেছেন দীপিকা।

স্বীকৃতি হিসেবে ভারতের প্রায় সব ফিল্মফেস্টিভালে এই দুই সিনেমার জন্যই ‘সেরা অভিনেত্রী’র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। কিন্তু তারপরও হতাশ দীপিকা! কারণ, পিকু এবং বাজিরাও মাস্তানির জন্য ভারতের প্রায় সব ফিল্ম ফেস্টিভাল তাকে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও চলতি বছরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে বঞ্চিত করা হয়েছে তাকে। আর তা নাকি মোটেও মেনে নিতে পারেননি তিনি।

গত সোমবার ঘোষণা হয়েছে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের নাম। আর সেরাদের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই নাকি হতাশায় আছেন দীপিকা পাডুকোন। কারণ গত বছরে দুই সিনেমা দিয়ে ভারতের প্রায় সব সিনে-ফেস্টিভালে দাপট দেখালেও ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রাখা হয়নি তার নাম।

চলতি বছরে পিকু এবং বাজিরাও মাস্তানিতে অনবদ্ধ অভিনয় করে ‘সেরা অভিনেত্রী’ হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করতে জোর দাবীদার ছিলেন দীপিকা। কিন্তু তা আর হয়ে উঠেনি। বরং দীপিকাকে বাদ দিয়ে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে আবারও জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন বলিউডের অঘোষিত ‘কুইন’ কঙ্গনা রানাউত। তনু ওয়েডস মনু রিটার্ন’-এর জন্য চলতি বছরে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

সেরা অভিনেত্রী হিসেবে কঙ্গনার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়কে স্বাগত জানালেও কিঞ্চিত অখুশি মনোভাব দেখা গেছে মেধাবী নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালির মধ্যে। তিনি সেরা নির্মাতার পুরস্কার পেয়েছেন সত্য, কিন্তু চলতি বছরে দীপিকাই নাকি সেরা অভিনেত্রী হওয়ার যোগ্য ছিল।






মন্তব্য চালু নেই