মেইন ম্যেনু

হতাশা নিয়ে দেশে ফিরলেন মুমিনুলরা

তিনটি ওয়ানডে এবং দুটি তিনদিনের ম্যাচের সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ভারত সফরে গিয়েছিল মুমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এমনকি ওই সফরে পাঁচ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয়ের লক্ষ্য ছিল সফরকারীদের। তবে একটি ওয়ানডে ম্যাচ ছাড়া বাকি সব ম্যাচেই হার মানেতে হয়েছে মুমিনুল অ্যান্ড কোংকে। সুতরাং, বুধবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে একরাশ হতাশা নিয়েই দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা।

অথচ ভারত সফরে পাঠানো ১৫ সদস্যের দলটিতে একমাত্র সাকলাইন সজিব ছাড়া বাকি ১৪জনই জাতীয় দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। এরপরও দু’টি তিনদিনের ম্যাচেই খুব বাজেভাবে হেরেছে তারা। যার মধ্যে একটিতে আবার পরাজয় ছিল ইনিংস ব্যবধানে। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্স নিয়ে ফেরা ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলতে আগ্রহও দেখাননি।

যদিও জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটার সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করছে; কিন্তু ভারত সফরে অধিকাংশ ক্রিকেটারই ছিলেন নিষ্প্রভ। এমন অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্সে ভক্তদের সঙ্গে হতাশ হয়েছেন মুমিনুল হক-নাসির হোসেনরাও। অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশ সফর এখনো অনিশ্চিত। নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে ঝুলে আছে অসিদের এই সফর। সব মিলিয়ে হতাশাটা ছিল মুমিনুলদের মধ্যে চূড়ান্ত।

বিমান বন্দরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক বলেন, ‘ভারত সফরে পজেটিভ দিক হলো, ওয়ানডে ম্যাচে আমরা ভালো খেলেছি। নাসির, লিটন এবং সাব্বির খুব ভালো ব্যাটিং করেছে; কিন্তু তিন দিনের ম্যাচগুলোতে হাতে গোনা দুয়েকজন ছাড়া তেমন কেউ ভালো করতে পারেনি। সামনে আমাদের আরো অনেক খেলা আছে। এখানে যে ভুল ত্রুটিগুলো হয়েছে সেগুলোকে ওভারকাম করতে হবে। টেস্ট কিভাবে খেলতে হয়ে সে বিষয়গুলোতে আমাদেরকে আরো উন্নতি করতে হবে।’

তাই ভারত সফর করে আসা ক্রিকেটারদের লক্ষ্য এখন জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) দ্বিতীয় পর্ব। কারণ গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল এনসিএলের প্রথম পর্ব। তবে ভারত সফরে থাকায় জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম পর্বে খেলা হয়নি সৌম্য সরকার- এনুমল হক বিজয়দের। ফলে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এনসিএলে ভালো খেলার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে চায় ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ভারত সফরে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ। খুব কাছ থেকে নাসির-সৌম্যদের খেলা দেখেছেন তিনি। ওয়ানডে ম্যাচ গুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুললেও তিন দিনের ম্যাচে দাঁড়াতে পারেনি মুমিনুল হকের দল।

এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘তিন দিনের প্রথম ম্যাচটায় আমরা কর্নাটকের সঙ্গে হেরেছি। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের এ দলের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। তারা অনেক শক্তিশালী দল। হারের কারণে যে শিক্ষা হয়েছে, সেগুলো কাটিয়ে উঠতে হলে আমাদের লংগার ভার্সন ক্রিকেটে আরো বেশি করে নজর দিতে হবে। লংগার ভার্সনের ক্রিকেটে ভালো খেলতে পারলে এই ধরনের সিরিজগুলোতে আমরা আরো ভালো করতে পারবো।’

তবে ভারত সফরে প্রত্যেকটি ম্যাচেই বাংলাদেশের টপঅর্ডার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুরুতে উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে গেলে ম্যাচে টিকে থাকা অনেক কঠিন হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক।






মন্তব্য চালু নেই