মেইন ম্যেনু

হলিউডের পুরনো স্ক্যান্ডাল যা আজও আলোড়ন তোলে

বহু আগেই মাদক, সেক্স টেপ আর ভক্তদের মাঝে গসিপের আইকন হয়ে ওঠে হলিউডপাড়া। সাদা-কালো যুগ থেকেই হলিউড বিশ্ব মিডিয়ার কাছে এক স্বপ্নীল জগত। এখানে জেনে নিন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিনোদনপাড়ার তারকাদের কিছু ঐতিহাসিক স্ক্যান্ডালের কথা। এগুলো বহু আগে ঘটেছে। কিন্তু আজও তা খবরের শিরোনাম হয়।

১. ইনগ্রিড বার্গম্যানের প্রেম :
2এই সুইডিশ নায়িকা তার অপরূপ সৌন্দর্য আর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব দিয়ে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ১৯৫০ এর দশকে বিশ্ব মিডিয়ায় ইনগ্রিড ও পরিচালক রবার্তো রোসিলিনির প্রেম ঝড় তোলে। ওই সময় বার্গম্যান ও পিটার লিন্ডস্টর্মের ঘরে একটি মেয়ে রয়েছে। তারকার গর্ভে রোসিলিনির সন্তান আসে এবং ভূমিষ্ঠ হওয়ার একদিন আগে পিটারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় বার্গম্যানের। পরে রোসিলিনির সঙ্গে বিয়ে হয় তার। এ কাহিনী ব্যাপক আলোচিত। নতুন দম্পতির ঘরে পরে আরো দুটো সন্তান আসে। এদের মধ্যে একজন সুপার মডেল ইসাবেলা রোসিলিনি।
২. তন্বীদের প্রতি চ্যাপলিনের আকর্ষণ :
3নির্বাক চলচ্চিত্রের সময় থেকে চ্যাপলিন এক কিংবদন্তির নাম। তবে পর্দার বাইরে তার জীবন নিয়ে তেমন জানতেন না মানুষ। কম বয়সী নারীদের প্রতি চ্যাপলিনের আকর্ষণের কথা বিনোদনমহলে সবাই জানতেন। ২৯ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন তিনি। তার স্ত্রীর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। খুব দ্রুত বিয়েটি ভেঙে যায় এবং দ্বিতীয় বিয়ে করেন চ্যাপলিন। দ্বিতীয় স্ত্রীর বয়সও ছিল ১৬। দ্বিতীয় বিয়ে ভেঙে যায়। স্ত্রীর অভিযোগ ছিল, চ্যাপলিন তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করেন। এই সময় থেকেই ভক্তমহলে চ্যাপলিনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সমালোচিত হতে থাকে। এরপরও আরো দুইবার বিয়ে করেন তিনি। তৃতীয় বিয়ে স্ত্রীর বয়স ছিল ১৮ বছর। তখন তার বয়স ৫০। চতুর্থবারের মতো বিয়ে করেন তিনি। এই স্ত্রী জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তার সঙ্গে ছিলেন। কামুক পুরুষ হিসেবে চ্যাপলিনের ‘খ্যাতি’ ছিল।
৩. এলিজাবেথ টেইলরের বহু প্রেমিক :
4আটটি বিয়ে করেছিলেন এই তারকা। এর মধ্যে একজনকেই করেছিলেন দুইবার। পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে টেইলরের তৃতীয় স্বামী চলচ্চিত্র পরিচালক মাইক টড প্লেন দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর মৃত স্বামীর বন্ধু এডি ফিশারের সঙ্গে ভাব জমে তার। তখন ফিশারের সঙ্গে অভিনেত্রী ডেবি রেনল্ডের সম্পর্ক ছিল। ফিশার বিয়ে করে ফেলেন টেইলরকে। এই ঘটনাটি বিশ্ব মিডিয়ায় এখনো আলোচিত হয়।
৪. এরোল ফ্লিন এবং অপরিণত মেয়ে :
5ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময় তিনি প্লেবয় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এক ১৭ বছরের মেয়ে বেটি হ্যানসেনের সঙ্গে সম্পর্ক হয় তার। এক সময় তরুণী এরোলের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন। তারকাকে আটক করা হয়। এক সময় মুক্তি পান তিনি। ক্যারিয়ারে ফিরে আসেন। তবে এক আলোচিত ঘটনার জন্ম দিয়ে গেছেন।
৫. ফ্লোরেন্স হেন্ডারসন এবং ব্যারি উইলিয়াম : তিনি ছিলেন ক্যারোল ব্র্যাডি। তার বড় সন্তানের নাম গ্রেগ ব্র্যাডি। উইলিয়াম প্রথম ফ্লোরেন্সের সঙ্গে দেখা করেন। ফ্লোরেন্স তার চেয়ে ২০ বছরের ছোট ছিলেন। তাদের প্রেম বেশ আড়োলন তোলে।
সূত্র : হাফিংটন পোস্ট





মন্তব্য চালু নেই