মেইন ম্যেনু

................................................................... আত্মসমর্পণের নির্দেশ

হাইকোর্টে জামিন মেলেনি এমপি মোস্তাফিজুরের

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উচ্চ আদালতে আগাম জামিন মেলেনি সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের।

তিনি আজ উচ্চ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। এ আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার তা খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে আগামী ২০ জুন তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন।

আজ আদালতে মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির। হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন মনিরুজ্জামান কবির নিজেই।

সেদিন এ ঘটনায় উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে বাঁশখালীর সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম।

চট্টগ্রামের বাশঁখালীর সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক কাজ না করায় এমপি নিজেই উপজেলা নিবার্চন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করেছেন বলে অভিযোগ উঠে।

আহত নির্বাচন কর্মকতাকে পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ১ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

আহত কর্মকর্তা জাহিদ হোসেনের অভিযোগ, ৪ নম্বর বাহারছড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী তাজুল ইসলাম ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা (প্রিজাইডিং অফিসার) নিয়োগের জন্য তাকে একটি তালিকা দিয়েছিলেন। তিনি ওই তালিকা অনুযায়ী সবাইকে নিয়োগ দিতে পারেননি। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার সকালে সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী তাকে ইউএনও কার্যালয়ে ডেকে পাঠান এবং জানতে চান তার তালিকা বাস্তবায়ন হয়নি কেন। এ নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে তার উপর চড়াও হন সাংসদ। তিনি তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এ সময় সাংসদের সঙ্গে থাকা আরো কয়েকজনও তাকে মারধর করেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাতেন তখন জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কথামতো কাজ না করায়, তার অনুসারীদের ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ না দেয়ায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ও তার অনুসারীরা। এ নিয়ে আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জানাই। পরে এ বিষয়ে একটি মামলা করা হয়।

সে মামলায় এমপি মোস্তাফিজুর আজ উচ্চ আদালতে আগাম জামিন নিতে আসেন। কিন্তু আদালতে তাকে আগাম জামিন না দিয়ে উল্টো আগামী ২০ জুন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেন।






মন্তব্য চালু নেই