মেইন ম্যেনু

হাইহিল না পরায় চাকরি গেলো তরুণীর!

বৃটেনের এক অভিজাত ফিন্যান্স কোম্পানীতে চাকরি পেয়েছিলেন নিকোলা থর্প। কোম্পানীর নিয়ম মেনে একেবারে কাজের প্রথমদিন থেকে নির্ধারিত ড্রেস কোড মেনে অফিসে এসেছিলেন ওই তরুণী। কিন্তু পায়ে ছিল হিলের বদলে ফ্ল্যাট জুতো! আর সেটাই যে কাল হবে নিকোলার জীবনে তা একেবারের জন্যেও বুঝতে পারেননি তিনি। আর সেই সামান্যতম অপরাধের জন্যে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল বিনা নোটিশ ও পারিশ্রমিকে। যদিও এই কাজের জন্যে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখেই পড়তে হয় কোম্পানীটিকে।

২৭ বছরের নিকোলা প্রথমদিন যখন তাঁর অফিসে প্রবেশ করেন, তখনই তাঁকে অফিসের কর্মীরা বলেন, তাঁকে কিছু একটা পায়ে পরতে হবে, যাতে তিনি সামান্য একটু লম্বা দেখান। অন্তত ২ থেকে ৪ ইঞ্চির হিল থাকতে হবে পায়ে। এই প্রস্তাব তৎক্ষনাৎ প্রত্যাখান করায়, কাজের প্রথম দিন নিকোলাকে খালি পায়ে থাকতে হয়। প্রতিবাদী নিকোলা তৎক্ষণাৎ জানতে চায়, পুরুষকর্মীদের ক্ষেত্রে তো এমন কোন নিয়ম বলবৎ করা হয়নি! তাহলে মহিলাদের জন্যেই এই নিয়ম কেন? কিন্তু তাঁর এই প্রতিবাদের জন্যে কেউ পাশে থাকা নয়, কার্যত পরিহাসের পাত্র হতে হয় সবার সামনে। আর সেদিনই বরখাস্ত করা হয় তাঁকে। প্রতিবাদের এই হলো মাশুল!

যদিও এই বিষয়টি নিয়ে মোটেই থেমে যেতে রাজি নন নিকোলা। প্রতিবাদকে আন্দোলনের পথে নিয়ে হাঁটতে চান তিনি। আর এই কারণেই পার্লামেন্ট-এর ডিবেট সেশনে উত্থাপন করার জন্যে একটি আবেদন করেছেন নিকোলা । সেই আবেদন পত্রে তিনি হাই হিলকে ব্রিটেনের ড্রেস কোডের বাধ্যতামূলক তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এও লিখেছেন বর্তমানে যে ড্রেস কোড মেনে চলা হয়, তা অত্যন্ত সাবেকি এবং যৌন উত্তেজক! পাশাপাশি হাইহিল পড়তে শারীরিক কি ধরণের ক্ষতির মুখে পড়তে হয় একজন মহিলাকে সেই বিষয়েও কিছু তথ্য দেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে সাংসদ কি পদক্ষেপ নেয় সেদিকেই তাকিয়ে এখন রাজনৈতিকমহল।






মন্তব্য চালু নেই