মেইন ম্যেনু

হাতের লেখা দিয়ে শরীরের কয়েকটি রোগ চিনুন

আমাদের একেক জনের হাতের লেখা এক একরকমের হয়। কারও লেখা প্যাঁচানো হয়, কেউ একেবারে স্পষ্ট, সুন্দরভাবে লিখতে পারেন। হাতের লেখা দিয়ে মানুষের ব্যক্তিত্বকেও যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।

এখনকার দিনে বিভিন্ন অপরাধের তদন্তে অভিযুক্তের হাতের লেখা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিচার করে সমাধান করা হয়। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

তবে জানেন কি হাতের লেখা দিয়ে আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নানা কথা জানা যায়? আমাদের শরীরে কোনও গোলযোগ হয়েছে কিনা তা হাতের লেখা দিয়ে বিচার করা যায়। নিচের স্লাইডে দেখে নিন, ঠিক কী কী জানা যায় হাতের লেখা দেখে।

অবসাদ : আজকের ইঁদুর দৌড়ের জীবনে ক্লান্তির পাশাপাশি হতাশা ও অবসাদও খুব তাড়াতাড়ি মানুষকে গ্রাস করে নেয়। তবে এই অবসাদের ছাপও ধরা পড়ে আক্রান্তদের লেখায়।

উচ্চ রক্তচাপ: হাতের লেখা বিচার করে কোনও মানুষের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানা যায়। কারণ এই রোগের ফলে হাতের লেখার ধরণ বদলে যায়। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখা কাঁপা কাঁপা হয়।

ডিসলেক্সিয়া : শিশু এমনকী বড়দেরও ডিসলেক্সিয়ার সমস্যা রয়েছে কিনা তা বলে দেওয়া যায়। কারণ এতে আক্রান্তদের লেখার কোনও নির্দিষ্ট ধরন থাকে না। অভিভাবকেরা এসব ক্ষেত্রে শিশুদের বকা দিলে ফল হয় উল্টো। এতে আক্রান্তরা একইরকম দেখতে অক্ষর যেমন d, q, b, p-র মধ্যে মাঝেমাঝেই গুলিয়ে ফেলে।

সিসোফ্রেনিয়া : চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সিসোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ‘অ্যান্টি সাইকোটিক ড্রাগ’ দেওয়া হয়। এর ফলে ডিসকিনেশিয়া ও পার্কিনসনের মতো অসুখ হয়। এর ফলে এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় তার প্রভাব পড়ে।

অটিজম : অটিজমের সমস্যাকেও হাতের লেখা দিয়ে চিহ্নিত করা যায়। এতে আক্রান্তদের সামাজিক যোগাযোগের ক্ষমতা অনেক কমে যায়। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় আড়ষ্টতা থাকে এবং তা ভাঙা ভাঙা হয়। কারণ মস্তিষ্ক থেকে হাতের মধ্য সঙ্কেত পৌঁছতে সমস্যা হয়।

পার্কিনসন ও অ্যালজাইমার : এই রোগে আক্রান্তদের হাতের লেখা শিশুদের মতো হয়ে যায়। পার্কিনসনে আক্রান্ত হলে হাতের লেখা ধীরে, কাঁপা অক্ষরে ও বাঁকা হয়। অন্যদিকে অ্যালজাইমারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় অক্ষরের মাঝে অনেক ফাঁকা জায়গা থাকে।

গর্ভাবস্থা : এটি কোনও রোগ না হলেও হাতের লেখা দিয়ে গর্ভাবস্থা সম্পর্কে জানা সম্ভব। গর্ভে সন্তান এসেছে তা পরীক্ষা করে দেখার আগেই এই অবস্থা টের পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, a, o, p, f, g, y এইসব অক্ষর দেখে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে সেটাও বলে দেওয়া সম্ভব।






মন্তব্য চালু নেই