মেইন ম্যেনু

হামজা-নবীতে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে

লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ১৩২ রানের। কিন্তু আফগানিস্তানের দেওয়া এত অল্প রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমেও দুমড়ে-মুচড়ে গেল জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। তাই স্বল্প পুঁজি গড়েও আমির হামজা ও মোহাম্মদ নবীর দারুণ বোলিংয়ে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বড় জয়ই পেয়েছে আফগানিস্তান। ৪৯ রানের জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে আফগানরা।
গত অক্টোবরেই ঘরের মাঠে আফগানিস্থানের কাছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হেরেছে জিম্বাবুয়ে। এবার নিরপেক্ষ ভেন্যু আরব আমিরাতেও ওয়ানডে সিরিজের শুরুতেই ধরাশায়ী তারা। মাত্র ১৩২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমেও জিততে পারল না এল্টন চিগুম্বুরার দল। ওয়ানডে ক্রিকেটে টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে আইসিসির কোনো সহযোগী দেশের এত কম রান করেও জয়ের রেকর্ড এটি।
শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের শুরুটা খুব একটা মন্দ ছিল না। ৯.১ ওভার শেষে স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৫৪। এর পরই জিম্বাবুয়ের স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমারের স্পিনের বিষে নীল হয়ে যায় আফগান শিবির। ৭৭ রানে বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৮.৫ ওভারে আফগানিস্তান অলআউট হয় ১৩১ রানে।
দলের প্রায় অর্ধেক রানই আসে নূর আলী জারদানের ব্যাট থেকে। ৮২ বলে ৮ চারে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনিংয়ে নামা এই ব্যাটসম্যান। বাকি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে মোহাম্মদ নবী (১৭) ও নাজিবুল্লাহ (১৬) জারদান ছাড়া আর কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ক্রেমার একাই পাঁচ উইকেট নেন ২০ রানের বিনিময়ে।
পরে জিম্বাবুয়েকেও স্পিনেই কাবু করে আফগানিস্তান। ১৩২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই চামু চিবাবার উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। আমির হামজার বলে ডাক মারেন চিবাবা। এরপর ইনিংসের সপ্তম ওভারে মিডিয়াম পেসার মিরওয়াইস আশরাফের জোড়া আঘাতে ১২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে মহাবিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক চিগুম্বুরাকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন পিটার মুর। তবে দলীয় ৪৭ রানে মুর (২১) ফিরে যান। হামজার বলে বোল্ড মুর। দলীয় ৬৪ রানে ফিরে যান চিগুম্বুরাও (২৮)। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরা ক্রিজে দাঁড়াতেই পারেননি। ৩০.৫ ওভারে ৮২ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। মাত্র ১৮ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় তারা!
১৭ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন আমির হামজা। ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ নবী। আর মিরওয়াইস আশরাফ ১৩ রানে নেন ২ উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন হামজা।






মন্তব্য চালু নেই