মেইন ম্যেনু

হামলায় জঙ্গিরা যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছিল

গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গিরা অত্যাধুনিক বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করেছিলো। অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ওইসব অস্ত্র ও গুলির খোসা উদ্ধার করে।

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে, ৩টি একে ২২ (টুয়েন্টি টু) গান, ৫টি ৯ এমএম পিস্তল, ১৩টি ম্যাগজিন। তাজা গুলি উদ্ধার হয়েছে- ৯ এমএম এর ৬টি, ৭ পয়েন্ট ৬৫ এর ২৪ টি, একে ২২ এর ৩৫টি, পয়েন্ট টুটু বোরের ৪৪টি, ৬ পয়েন্ট ১ ইনটু ৬ বোরের ১২ টি, ৭ পয়েন্ট ৬২ বোরের ২টি।

ব্যবহৃত গুলির খোসা- ৯ এমএম এর ১০৫টি, ৭ পয়েন্ট ৬৫ এর ১৯৫ টি, পয়েন্ট টুটু বোরের ৬টা। এছাড়াও দু’টি ছোড়া, একটি চাপাতি ও একটি চাকু এবং বেশ কিছু গ্রেনেডের পিন উদ্ধার হয়। তাছাড়াও সেখান থেকে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট ও একটি বাংলাদেশি ভোটার আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়।

৪ জুলাই সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় গুলশান থানায় পুলিশ বাদী হয়ে হলি রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। গুলশান থানার এসআই রিপন কুমার দাশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় নিহত ৬ সন্ত্রাসীকে আসামি করা হয়। এরা হলো- মীর সামিহ মোবাশ্বের (১৯), রোহান ইমতিয়াজ (২০), নিবরাস ইসলাম (২০), মো. খায়রুল ইসলাম পায়েল (২২), শরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল ওরফে বিকাশ (২৬) ও সাইফুল চৌকিদার (২৬)।

মামলা এজাহারে বলা হয়, ‘নামীয় আসামি ছাড়াও অজ্ঞাতনামা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি নামক সমর্থন পূর্বক অনান্য সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থক তাদের এ কাজে অর্থ, অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক দ্রব্যাদি দিয়ে এবং প্রশিক্ষণ, পরামর্শর মাধ্যমে সহায়তা ও প্ররোচণাকারীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসদমন আইন ২০০৯ সংশোধনী ২০১৩ এর ধারা ৬(২)৮/৯/১০/১২/১৩ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে ক্ষেত্রে উক্ত অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সংস্থার সাথে আলাপ আলোচনা ও তথ্য সংগ্রহ করে এ ব্যাপারে নিহত আহতদের পক্ষ থেকে কোনো এজাহার দায়ের না করায় উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা পূর্বক তদন্ত করার জন্য বলা হচ্ছে।’



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই