মেইন ম্যেনু

হাসি আটকাতে না পারলে কিন্তু আপনাকেও লালকার্ড!

সুইডেনের দুটি নামি ক্লাব টিমের খেলা চলছিল। দর্শকও কম ছিল না। বেশ জমে উঠেছিল। হঠাত্‍‌ খেলার ছন্দপতন ঘটে। খেলোয়াড়কে লালকার্ড দেখাতে বাধ্য হন রিফারি।

তবে কাউকে ফাউল ট্যাকল করেননি, মারপিটে জড়াননি, রেফারি কিংবা প্লেয়ারকে গালাগালিও করেননি তিনি।

তাহলে ঘটনা কি? শুনলে নাক চেপে ধরবেন। আর হাসি আটকাতে না পারলে কিন্তু আপনাকেও লালকার্ড!

স্বদেশি খেলোয়াড়রা প্রতিবাদ জানাতে এসেই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। দুর্গন্ধে সব প্লেয়ারই নাক চাপা ধরতে শুরু করেন। রেফারিও পতাকা নামিয়ে নাক ধরেন।

সুইডেনের ক্লাব টিম জারনা এসকে’র লালকার্ড খাওয়া লেফ্ট ব্যাক খেলোয়াড় অ্যাডাম লিনডিন জুঙ্কভিস্টের কীর্তিতে এতসব ঘটনা!

মাঠেই বিকট আওয়াজে বায়ু ছাড়েন যে, কিছুক্ষণ খেলাই আটকে যায়।

নজিরবিহীন এ ঘটনাটি ঘটে ২২ জুন বুধবার।

অবশ্য জুঙ্কভিস্ট রেফারিকে বলেন, আমার পেট খারাপ। তাই এমনটা হয়ে গেছে। চাপতে পারিনি।

রেফারির সাফ জবাব, এটা খেলোয়াড়সুলভ আচরণ নয়। তোমার আরা খেলা যাবে না। এখনই বেরিয়ে যেতে হবে মাঠ ছেড়ে।

ক্ষুব্ধ জুঙ্কভিস্ট বলেন, এখানে আমার কোনো দোষ নেই। আমার বায়ু পেয়েছে, আমাকে একটু ব্রেক দেন?

জুঙ্কভিস্টের বক্তব্য, আমি রেফারির কাছ থেকে বেশ খানিকটা দূরত্বেই ছিলাম। আমি বুঝতে পারছি, আওয়াজটা খুব খুব জোরে হয়েছে। ৮ বছর ধরে ফুটবল খেলছি, কিন্তু এমন অদ্ভুত রেফারি দেখিনি।






মন্তব্য চালু নেই