মেইন ম্যেনু

হিলারি ক্লিন্টনের চুল কাটতে ৬০, রং করতে আরো ৬০!

ফ্যাশনদুরস্ত মহিলা ও পুরুষরা অধিকাংশ সময়েই নিজেকে যতনে সাজাতে বিভিন্ন পরিষেবার চার্জের কথা ভেবে মাথা খারাপ করতে চান না। তবে আধুনিক মানুষের কাছে ফ্যাশনে ইন কেতাদুরস্ত হেয়ার-কাটের জন্য দু-পাঁচ শো বা দু-পাঁচ হাজার, কোনওটাই খুব বেশি নয়। কিন্তু, তাই বলে কেশচর্চায় গুনে গুনে প্রায় ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা! নিশ্চয় বাড়াবাড়ি তাই না?। অবশ্য যিনি এই কাজটি করেছেন, তাঁর কাছে এটা নিতান্তই হাতের ময়লা। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি তথা মার্কিন সিনেটর হিলারি রোডহ্যাম ক্লিন্টন।

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের ফিফ্থ অ্যাভিনিউ স্টোরের পেছনের দরজা দিয়ে ঢুকতে দেখা গিয়েছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের স্ত্রীকে। সূত্রের খবর, সেখানে জন ব্যারেট সালোঁতে হেয়ার স্টাইলিং করিয়েছেন হিলারি ক্লিন্টন। নিজের ফ্যাশন সংক্রান্ত বিষয়টিকে লোকচক্ষুর আড়ালেই রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। সালোঁতে ঢোকার পথে সিঁড়ির দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি সবার আড়ালে থেকেই পৌঁছে যেতে পারেন সালোঁর ভেতর। সালোঁতে তাঁর জন্য একেবারে আলাদা একটি বিশেষ জায়গার ব্যবস্থা করা হয়। পাশের ঘরে বসে থাকা অন্যান্য কাস্টমাররাও বুঝতে পারেননি ওই একই সালোঁতে হেয়ার স্টাইলিং করছেন হিলারি ক্লিন্টন।

হিলারিকে যে সালোঁতে দেখা গিয়েছে, তার মালিক জন ব্যারেটের সঙ্গে নাকি নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন ক্লিন্টন পত্নী। হেয়ার কাট ও ব্লোন ড্রাইয়ের জন্য গুনে গুনে প্রায় ৬০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক নেন জন ব্যারেট। এখানেই শেষ নয়। হেয়ার কাটের পর চুলে রং করাতে নেন আরও ৬০ হাজার টাকা। তবে, হিলারি ঠিক কত পে করেছেন, তা অবশ্য খোলসা করার সাহস দেখাননি কেউই।

কেশচর্চা নিয়ে হিলারির বেটারহাফ প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনও কম শৌখিন নন। ১৯৯৩ সালে তাঁর বিতর্কিত হেয়ারকাট বিতর্ক হারিগেটের কথা সবার জানা। লস অ্যাঞ্জেলসে টারম্যাকে দাঁড়ানো একটি বিমানে বেলজিয়ান আমেরিকান হেয়ার স্টাইলিস্টের কাছে চুল কাটিয়েছিলেন ক্লিন্টন। এক ঘণ্টা ধরে চুল কাটার জন্য তখনই প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতির থেকে প্রায় ২১ হাজার টাকা নিয়েছিলেন ওই হেয়ার স্টাইলিস্ট।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া






মন্তব্য চালু নেই