মেইন ম্যেনু

হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালিয়ে জরিমানা দিলেন এমপি

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী মমতা মুখার্জির কড়া নির্দেশ হেলমেট পরে রাস্তায় নামতে হবে মোটরসাইকেল নিয়ে। অথচ তার দলের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ হেলমেট ছাড়াই মোটরসাইকেল নিয়ে পথে নামলেন। ধরাও পড়লেন পুলিশের হাতে, তাই গুণতে হলো জরিমানা। তবে ব্যাংক বন্ধ থাকায় জরিমানার টাকা জমা দিতে পারেননি তিনি। অবশেষে গাড়ির ব্লু-বুক জমা রেখে পুলিশের কাছ থেকে ছাড় পান তিনি।

সৌমিত্র খাঁ বলেন, বাজারে মাছ কিনতে বেরিয়ে ছিলাম। এক বন্ধুর মোটরসাইকেল দেখে সেটা চালাতে ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু তখন হেলমেট মাথায় দেওয়ার কথা খেয়াল ছিল না। পাশেই বিনা হেলমেটের মোটরসাইকেল চালকদের ধরপাকড় করছিল পুলিশ। এর নেতৃত্বে ছিলেন বাঁকুড়ার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়।

সংসদ সদস্যকে প্রথমে চিনতে না পেরে পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকান। পরে অবশ্য সব্যসাচী তাকে চিনতে পারেন। তবে নিজের ভুল বুঝতে পেরে সাংসদ নিজেই পুলিশের কাছে জরিমানা দিতে যান। এমনকী এক বন্ধুকে ফোন করে বাড়ি থেকে হেলমেট নিয়ে আসতে বলেন। পুলিশ ওই মোটরবাইকের ব্লু বুক জমা নিয়ে একশ টাকা জরিমানা করে। সৌমিত্র বলেন, আমি ভুল করেছি। তাই পুলিশ যেন আইন মোতাবেক আমাকে জরিমানা করে সেই অনুরোধ করেছিলাম।

বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরা বলেন, সাংসদ নিজেই ভুল বুঝতে পেরে পুলিশকর্মীদের সাহায্য করেছেন। সাধারণ মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাতে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

এদিকে বিনা হেলমেটে রাস্তায় নামায় মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রীদের কান ধরে উঠবোস করানো, চড়-থাপ্পড় মারা বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখছে পুলিশ। শুধু সাধারণ মানুষই নন, বাদ যাচ্ছেন না পুলিশ কর্মীরাও। ইতিমধ্যে হেলমেট পরে মোটরবাইক না চালানোর অভিযোগ সাত পুলিশ কর্মীকে পুলিশ লাইনে ‘ক্লোজ’ করেছেন জেলা পুলিশ সুপার। এমনকী পৌরসভা ও ব্লক অফিসেও চিঠি পাঠিয়ে সরকারি কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হেলমেট পরে মোটরবাইক চালাতে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই