মেইন ম্যেনু

হোটেলের নির্জন কক্ষে ব্যস্ত ৪ প্রেমিক জুটি : হঠাৎ হাজির পুলিশ, অতঃপর ৩ কবুল

চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় ‘হোটেল নাদিয়া’ ও ‘হোটেল আল সাকেরা’তে বৃহস্পতিবার রাতে যখন তারা হোটেলের নির্জন কক্ষে একান্তেই হারিয়ে গিয়েছিলেন অন্য জগতে।

মধ্য রাতের ঠিক সে সময়ই হানা দেয় বেরসিক পুলিশ! হোটেল দু’টিতে তল্লাশি চালিয়ে আটক করে এই চার জোড়া প্রেমিক-প্রেমিকাকে। নির্জন হোটেল থেকে তাদের পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয় থানা হাজতে। এরপর খবর দেয়া হয় প্রত্যেকের অভিভাবককে। রাতেই থানার ওসি ও উভয়ের অভিভাবকদের দীর্ঘ আলাপের পর সিদ্ধান্ত হয় তার বসানো হবে বিয়ের পিঁড়িতে।

থানা পুলিশ ও অভিভাবকদের এই সিদ্ধান্তে আটক প্রেমিক-প্রেমিকাদের মুখে লাজ লাজ ভাব দেখা দিলেও এতে তারাও পরষ্পরের সাথে জীবনের গাঁটছড়া বাঁধতে সম্মত ছিলেন বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। রাতের সিদ্ধান্ত শেষে শুক্রবার সকালে পুলিশ থানায় ডেকে নিয়ে আসেন কাজীকে। প্রত্যেকের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে থানার মধ্যেই জোবায়েদ (২৩) ও শারমিন আক্তার (২০), অর্ক দশা (২৩) ও মুক্তা দাশ (২০), এমদাদ হোসেন (২৬) ও জান্নাতুল নাঈম (২০) এবং জামাল (২৮) ও মিমি আক্তার (২২) সমোচ্চরে বলে ফেলেন ‘কবুল-কবুল-কবুল’।

এর মধ্যে দিয়ে একে অপরের সাথে বাঁধেন জীবনের গাঁটছড়া। থানার মধ্যেই করানো হয় মিষ্টি মুখ। এ ঘটনায় থানার মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তাদের বাড়ি যথাক্রমে চকবাজার, চান্দগাঁও, বায়োজিদ ও হাটহাজারী থানায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দগাঁও থানার ওসি সাইরুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে বহদ্দারহাটে দুটি হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে চারজন মেয়ে ও চারজন ছেলেকে আটক করা হয়। থানায় আনার পর তারা স্বীকার করে যে, তারা উভয়ে একে অপরের প্রেমিক-প্রেমিকা এবং কলেজ শিক্ষার্থী।

তারপর তাদের পরিবারকে খবর দিয়ে থানার আসার পর প্রত্যেককে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তারাও রাজি হয়। পরে সকালে কাজী ডেকে থানায় এই চার জোড়া প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে পড়ানো হয়। এরপর পরিবারের জিম্মায় তাদের হস্তান্তর করা হয়।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই