মেইন ম্যেনু

হ্যান্ডশেক করার ধরন দেখে বোঝা যায় উনি কেমন মানুষ

বোঝা যায় মানুষটি খুবই সহৃদয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। সৎও বটে। এ ধরনের মানুষকে খুব সহজেই বিশ্বাস করা যায়। মানুষটি যে খুবই আবেগপ্রবণ তা-ও বেশ বোঝা যায়।

খেলোয়াড়দের সঙ্গে কখনা হ্যান্ডশেক করে দেখেছেন? তারা কিন্তু হ্যান্ডশেক করার সময় একটু জোর প্রয়োগ করেন। সবাই যা করেন তা কিন্তু নয়। পাকিস্তানের ক্রিকেটার শহিদ আফ্রিদির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে মেয়েরা পাগল হয়ে যান।

শহিদ আফ্রিদির হাত নাকি খুব নরম! সবাই যে আফ্রিদি তা নয়। করমর্দনের সময় কেউ জোর প্রয়োগ করেন, কেউ আলতো করে হাত মেলান আবার কারোর হ্যান্ডশেক পদ্ধতি স্বকীয়। আপনি কীভাবে হ্যান্ডশেক করছেন তা দেখে কিন্তু আপনার চরিত্র সম্পর্কে একটা ধারণা করা সম্ভব।

দুই হাতজড়িয়ে ধরে যদি কেউ হ্যান্ডশেক করে থাকেন তাহলে বোঝা যায় মানুষটি খুবই সহৃদয় এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে তিনি সৎও বটে। এ ধরনের মানুষকে খুব সহজেই বিশ্বাস করা যায়। মানুষটি যে খুবই আবেগপ্রবণ তা-ও বেশ বোঝা যায়।

একজন মানুষ অন্যের উপরে কর্তৃত্ব করতে পছন্দ করেন কি না তা-ও জানা সম্ভব হ্যান্ডশেক করার ধরন দেখে। একজনের দিকে যদি করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়া যায় আর সেই মানুষটি যদি বাড়ানো হাত এমনভাবে উলটে দেন যাতে তার হাত থাকে উপরে, তাহলে বোঝা যায় সেই মানুষটি কর্তৃত্ব করতেই পছন্দ করেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সেই মানুষটি অন্যের উপরে কর্তৃত্ব করতেই পছন্দ করেন।

হ্যান্ডশেক করার সময়ে যদি কারো হাত ঠাণ্ডা হয়ে যায়, হাত ঘামতে শুরু করে তাহলে বোঝা যাবে সেই মানুষটি দুর্বল প্রকৃতির।

হ্যান্ডশেক করার সময় যদি কেউ হাতে জোরালো চাপ দেন তাহলে বুঝতে হবে সেই মানুষটি খুবই আত্মবিশ্বাসী। নিজের ক্ষমতা প্রকাশ করারও একটা চেষ্টা থাকে সেই মানুষটির মধ্যে।

অনেকেই আবার আঙুলের মাথা ধরে সামান্য ঝাঁকুনি দেন। সাধারণত মহিলারা এভাবেই হ্যান্ডশেক করেন। এভাবে হ্যান্ডশেক করা দেখে বোঝা যায়, মানুষটি অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা মনে করেন।

কিন্তু হ্যান্ডশেক করার সময় যদি হাতের তালুতে খাওজানি দেন তাহলে বুঝে নিতে হবে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে। তবে মেয়েদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করার সময় এমন কাণ্ড ঘটালে ধরে নিতে হবে আপনার প্রতি আগ্রহী তিনি।






মন্তব্য চালু নেই