মেইন ম্যেনু

হয়ে উঠুন সকালের পাখি এই ছোট্ট কিছু নিয়ম মেনে!

সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়ার মতন দুরূহ কাজ খুব কমই আছে। বিশেষ করে যদি আপনি হয়ে থাকেন রাত জাগা আড্ডাবাজ প্যাঁচা কিংবা অনিদ্রায় ভোগা রোগী। তবে তারপরেও ছেলে থেকে বুড়ো সবার জন্যে রয়েছে কিছু ছোট্ট আর সহজ উপায় যেগুলো অনুসরণ করলে আরো অনেকের মতন আপনিও জেগে উঠতে পারবেন একদম সকালবেলা। কি সেই উপায়গুলো? চলুন জেনে নিই আর দ্রুত লাগিয়ে ফেলি কাজে।

১. কারণ তৈরি করা

কোন একটা কাজ করার তাগিদ কখন অনুভব করে মানুষ? যখন এটা সে বোঝে যে তার এই কাজের পেছনে রয়েছে যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ। আর তাই সকালে জেগে ওঠার পেছনেও ভাবুন আপনি ঠিক কী কারণকে এগিয়ে রাখবেন। কেন সকালে উঠতে চাইছেন আপনি? একটু বাড়তি সময় পাওয়া, বাড়তি কাজ করা, শরীরচর্চা করা, বাইরে খানিক সময় শান্ত পরিবেশে ঘুরতে পারা- এসবের কোন একটা? কোনটা? নিজের সকালে দ্রুত জাগবার পেছনের কারণটি বাছুন আর বিশ্বাস করান নিজের মনকে যে এই কাজটি আপনাকে করতেই হবে ( লাইফহ্যাক )। আর সেজন্যে সকালেও উঠতে হবে। দেখবেন সকালে জাগতে আর খুব একটা কষ্ট হচ্ছেনা আপনার।

২. পরিমাণমত বিশ্রাম নেওয়া ও ঘুমানো

মানুষ সকালে উঠতে পারেনা অনেক সময় নিজের শরীরের ক্লান্তি আর অবসাদের জন্যে। কিন্তু কোথা থেকে আসে এই ক্লান্তি আর অবসাদ? অবশ্যই অপরিমিত ঘুম আর অনিয়মিত জীবন যাপনের কারণে। প্রতিটি মানুষেরই দৈনিক ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের চাহিদা থাকে। সেটুকু না ঘুমোলে আপনার শরীর নিজ থেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়বে ( আরএলহেলদি )। তাই পরিমিত ঘুমান। চেষ্টা করুন এই নিয়মটি সবসময় মেনে চলতে। দরকার পড়লে সন্ধ্যাকালীন সময়ে নিয়ে নিন খানিকটা বিশ্রামও। আর ঘুমের সময় পাশ থেকে সরিয়ে রাখুন প্রযুক্তির সব ধরনের নিদর্শন, যেমন- মোবাইল, ল্যাপটপ বা অন্যকিছুকে।

৩. ঘড়িকে সরিয়ে রাখা

খুব সহজ এই কৌশলটি সমজেই উঠতে সাহায্য করবে আপনাকে সকালবেলায় চোখে চেপে বসা রাজ্যের ঘুম থেকে। আর কৌশলটি হচ্ছে ঘড়িতে এ্যালার্ম দিয়ে সেটাকে ঘরের আরেক কোনায় রেখে দেওয়া ( এন্টারপ্রেনার )। যেখান থেকে এ্যালার্মের শব্দ পুরোটা পাওয়া গেলেও বিছানা থেকে না উঠে ধরতে পারা যায়না ঘড়িকে। এতে করে ঘড়ির শব্দে বিরক্ত হয়ে উঠতে আপনাকে হবেই বিছানা থেকে। আর ছাড়তে হবে ঘুম।

৪. কাজ করা

যদি এমন হয় যে বিছানায় যাওয়ার পরেও ঘুম আসছে না আপনার, তাহলে ৩০ মিনিট পর উঠে পরুন। কোন কজে ব্যস্ত হয়ে যান ( লাইফহ্যাক )। খুব বেশি কড়া আলো নয়, বরং স্নিগ্ধ আর নরম আলোয় বসে কাজ করতে থাকুন শান্তভাবে। খানিক বাদে দেখবেন নিজ থেকেই ঘুম নেমে আসছে আপনার চোখে।

৫. ব্রাশ করা

শুনতে একটু অদ্ভূত লাগলেও সত্যি যে ঘুম তাড়াবার একটি অন্যতম অভিনব উপায় হচ্ছে দাঁত ব্রাশ করা ( ওয়ান্ডার লাস্ট )। আর তাই এ্যালার্মের শব্দে ঘুমটা পাতলা হতেই পেস্ট ব্রাশে লাগিয়ে মেজে দিন দাঁত। ঘুম পালিয়ে যাবে অনেকটা!






মন্তব্য চালু নেই