মেইন ম্যেনু

১০০ বছরে দুনিয়া কাঁপানো যত ভূমিকম্প

ভোর ৫টা ৫ মিনিটে কেঁপে উঠল বাংলাদেশ। আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে মানুষ। ৪টা ৩৫ মিনিটে উঠেছে কেঁপে উঠছে আর ভারতও। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.৭। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে মনিপুরের ইম্ফল থেকে ২৯ কিলোমিটার পশ্চিমে কম্পনের উৎসস্থল বলে জানা গেছে। অসম-অরুণাচলেও ব্যাপকভাবে অনুভূত হয়েছে কম্পন।

১৯০০ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত যত বড় ভূমিকম্প:

২৫ এপ্রিল, ২০১৫: হঠাত সকালে কেঁপে ওঠে নেপাল। কম্পন অনুভূত হয়ে ওঠে দিল্লি, কলকাতা সহ দেশের একাধিক জায়গায়। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছিল ১০ হাজার।

২২ মে, ১৯৬০: দক্ষিণ চিলিতে ভয়াবহর ভূমিকম্প ও সুনামির জেরে কমপক্ষে ১,৭১৬ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯.৫৷

২৮ মার্চ, ১৯৬৪: আলাস্তার প্রিন্স উইলিয়াম সাউন্ডে ভূমিকম্পের জেরে ১৩১ ও সুনামির কারণে কমপক্ষে ১২৮ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯.২৷

২৬ ডিসেম্বর, ২০০৪: ইন্দোনেশিয়ার সুনামির জেরে মৃত্যু হয় প্রায় ২৩০,০০০ জন লোকের৷ সারা বিশ্বেই এর প্রভাব পরে৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯.১৷

১১ মার্চ, ২০১১: জাপানে এই দিনেই আছড়ে পড়ে সুনামি৷ প্রায় ১৮,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯৷

৪ নভেম্বর, ১৯৫২: ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে রাশিয়া থেকে অদূরে ইস্ট কোস্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ এছাড়াও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩০ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস দেখা যায়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৯৷

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১০: চিলি উপত্যকায় ভূমিকম্প ও সুনামির ফলে ৫২৪ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখাটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৮৷

৩১ জানুযারি, ১৯০৬: ইকুয়েডরে ভয়াবহ সুনামির জেরে প্রায় ৫০০ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৮৷

৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫: আলাস্কার রাট আইল্যন্ডে ১১ মিটার উচুঁ সুনামি আছড়ে পড়ে৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৭৷

২৮ মার্চ, ২০০৫: ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রায় ভূমিকম্পের জেরে প্রায় ১৩০০ জনের মৃত্যু হয়৷ কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৬৷

১৫ অগাস্ট, ১৯৫০: তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের জেরে প্রায় ৭৮০ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৬৷

১১ এপ্রিল, ২০১২: ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রায় আছড়ে পরে সুনামি৷ এর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশের বহু দেশ৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৬৷

৯ মার্চ, ১৯৫৭: আলাস্কার অ্যান্ড্রিয়ানফ আইল্যান্ডে ১৬ মিটার উঁচু সুনামি আছড়ে পরে৷ রিখাটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৬৷

১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৭: ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার কাছে ভূমিকম্পের ফলে প্রায় ২৫ জনের মৃত্যু হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৫৷

২৬ জানুয়ারি, ২০০১: গুজরাটে ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যু হয় প্রায় ১৯.৭২৭ জনের৷ এছাড়াও আহত হয় প্রায় ১৬৬,০০০ জনের৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৯৷

১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮: ইন্দোনেশিয়ার বান্দ্রা সমুদ্রে সুনামি হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৫৷

৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৩: রাশিয়ার কামচাটকা এলাকায় সুনামি আছড়ে পরে৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৫৷

১১ নভেম্বর, ১৯২২: চিলি আর্জেন্টিনা সীমান্তে সুনামি হয়৷ চিলি উপত্যকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৫৷

১৩ অক্টোবর, ১৯৬৩: কুরলি আইল্যান্ডে সুনামি আছড়ে পরে৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৮.৫৷






মন্তব্য চালু নেই