মেইন ম্যেনু

পাওয়া যাবে ৫ মাস

১০ টাকা কেজি চাল পাবে দেশের ৫০ লাখ পরিবার

আবু রায়হান মিকাঈল :
আগামী বুধবার গ্রামীণ হতদরিদ্র মানুষকে ১০ টাকা দরে চাল দিতে ‘পল্লী রেশন’ চালু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

এ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে দেশের ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে। ১০ টাকা কেজি দরে প্রতি পরিবার মাসে পাবে ৩০ কেজি চাল। ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ স্লোগানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় এই রেশনিং ব্যবস্থায় বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

বছরে পাঁচ মাস এ কর্মসূচি চালু রাখা হবে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়। মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর- প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হবে প্রতি পরিবারকে।

সূত্র জানায়, এই কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্ধারণ করা হয়েছে জেলা ও উপজেলাভিত্তিক দারিদ্র্য সূচক ও জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুযায়ী। এর মধ্যে রয়েছে ৭৫ শতাংশ দারিদ্র্য এবং ২৫ শতাংশ ঘনত্ব কোটা।

সূত্র জানায়, পল্লী রেশনিংয়ের জন্য বাজার থেকে ৩২ টাকা দরে চাল কেনা হলেও প্যাকেজিং ও গুদামজাতকরণের পর কেজিপ্রতি দাম পড়েছে সাড়ে ৩৬ টাকা। প্রতি টন চালের বাজারমূল্য ৩৬ হাজার ৩৩৫ টাকা হলেও প্রস্তাবিত রেশন মূল্য ধরা হয়েছে সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। ফলে প্রতি টন চালে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে ২২ হাজার ৮৩৫ টাকা।

এই কর্মসূচির চাল সংগ্রহের বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবে বলা হয়, দুই মাসে ৪ লাখ টন চালের প্রয়োজন হবে, যা খাদ্য অধিদপ্তরের মজুদ খাদ্যশস্য থেকে বিতরণ করা যেতে পারে। এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ভিজিএফ খাতের অব্যয়িত তিন লাখ টন চালের মধ্যে দুই লাখ টন চালের অর্থ খাদ্য মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা যেতে পারে। বাকি দুই লাখ টন চালের অর্থ খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে ভর্তুকির মাধ্যমে মেটানো যেতে পারে। পরবর্তী বছরগুলোতে ভিজিএফ খাতের বরাদ্দ (চার লাখ টন) প্রত্যাহার করে তা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট খাতে স্থানান্তর করা যেতে পারে। পাশাপাশি বাকি ছয় লাখ টন চালের ভর্তুকি মূল্য খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে মেটানোর ব্যবস্থা করার কথা বলা হয় প্রস্তাবে।






মন্তব্য চালু নেই