মেইন ম্যেনু

১৩ হাজার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদে নোটিশ

রাজধানীসহ অন্যান্য শহর এলাকার আবাসিক প্লট ও ভবনে থাকা ১২ হাজার ৯৫৭টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দিয়েছে সরকার। এসব নোটিশের জবাব পর্যালোচনা করে উচ্ছেদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ ছাড়া সিটি করপোরেশন এলাকায় সরকারি আবাসিক প্লটে অননুমোদিতভাবে গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ যেকোনো স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে সরানোর নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক।

সভা শেষে সাংবাদিকদের আবদুল মালেক বলেন, ‘আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের বিষয়ে ইতিপূর্বে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য আমরা আজকের বৈঠকে আলোচনা করেছি।’

সচিব বলেন, আবাসিক এলাকায় অনাবাসিক বা বাণিজ্যিক কাজ করা যাবে না। সভায় নগর এলাকার রাস্তার পাশে আবাসিক প্লট ও ভবনে রেস্তোরাঁ-বারসহ নানাবিধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনাজনিত সমস্যা নিরসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা অবাধে ব্যবসা করার জন্য আবাসিক এলাকায় অনুমোদন দিতে পারি না। তবে যাঁরা ব্যবসার জন্য অনুমোদন নিয়েছেন তাঁরা ব্যবসা করতে পারবেন। যাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুমোদন নিয়েছেন তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবেন।’

সচিব বলেন, শুধু ঢাকা নয়, আট সিটি করপোরেশনেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আবাসিক এলাকায় থাকা তিন হাজার ১৫টি, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এক হাজার ১৩৭টি এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ২ হাজার ৪০০টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ করেছে। এ ছাড়া খুলনা সিটি করপোরেশন ২৬টি, গাজীপুর ৩৭৬টি, কুমিল্লা ৪০টি, চট্টগ্রাম ১৫০টি, বরিশাল ৫৮টি, সিলেট ২৬টি এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন পাঁচটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে নোটিস পাঠিয়েছে।

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) পাঁচ হাজার ৫৩৪টি, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১১২টি এবং ফায়ার সার্ভিস ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস করেছে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, ৫১টি বার, ক্লাব ও রেস্তোরাঁকে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর নোটিশ পাঠিয়েছে। শুধু ঢাকার গুলশানসহ আবাসিক এলাকায় ৫৫২টি প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে হোটেল, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতাল রয়েছে।

ঢাকার ৩৪টি চার ও পাঁচ তারকা হোটেলের বিষয়ে রাজউকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান সচিব।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মালেক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই