মেইন ম্যেনু

১৬ বছরের কিশোরীকে ৩৩জন মিলে ধর্ষণ : অতঃপর….

হাতে গুনে ঠিক দু-মাসও বাকি নেই। অলিম্পিক উপলক্ষে বিশ্বের সেরা অ্যাথলেটরা ছাড়াও লাখো ক্রীড়াপ্রেমীর জমায়েত হতে চলেছে রিও-য়। ঠিক তার আগে ব্রাজিলের ভাবমূর্তিতে বড়সড় ধাক্কা লাগল। অলিম্পিক গেমের আসর যেখানে বসতে চলেছে, সেই রিও শহরেই গণধর্ষণের শিকার হল বছর ১৬-র এক কিশোরী। অভিযোগ, ৩৩ জন পুরুষ মিলে ধর্ষণ করেছে ব্রাজিলীয় ষোড়শীকে।

পুলিশের কাছে দায়ের হওয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে শহরের ওয়েস্টার্ন ফ্রিঞ্জে বয়ফ্রেন্ডের বাড়িতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। তার পর আর কিছুই তার মনে নেই। একদিন পর রবিবার সকালে যখন হুঁশ ফেরে, তাকে ঘিরে বিছানার চারপাশে ৩৩ জন। যারা তাকে রাতভর, দিনভর ছিঁড়ে খেয়েছে। তাকে ভয় দেখানোর জন্য এদের কারও কারও হাতে পিস্তল, কেউ রাইফেল নিয়ে দাঁড়িয়ে! পরে এই ‘ধর্ষক’রাই তাকে বাড়ির অদূরে ছেড়ে দিয়ে যায়।

কিশোরীর অজান্তেই তার উপর পাশবিক অত্যাচারের ছবি ও ভিডিয়ো ট্যুইট করে ধর্ষকরা। তার নগ্ন শরীরের নানা ছবি পোস্ট করে, নীচে কুরুচিকর মন্তব্য জুড়ে দেওয়া হয়। ট্যুইটের সেই নোংরা পোস্ট নজরে আসতেই সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তরে অভিযোগ জানায় কিছু মানুষ। তার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

ধর্ষিতা কিশোরীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে, হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভয়ে কুঁকড়ে যাওয়া ওই কিশোরীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে তার কাউন্সেলিং চলছে। সেইসঙ্গে চিকিত্সাও। মেয়ের এমন অবস্থা দেখে তার পরিবারের লোকজনও বিধ্বস্ত। ধর্ষিতার বাবা সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, ‘ওরা তো আমার মেয়েকে প্রায় মেরেই ফেলেছে! হাসপাতালে শুয়ে সারাদিন শুধু কাঁদছে। এতটাই ভীত, ভালো করে কথাও বলতে পারছে না।’

ট্যুইট করা ভিডিয়ো দেখে ৪ জনকে চিহ্নিত করে, তাদের আটক করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড বছর ২০-র এক যুবকও। পুলিশের ধারণা, এই যুবকের প্রত্যক্ষ মদতেই গোটা ঘটনাটি ঘটেছে। ধৃতদের মধ্যে আর একজনের বয়স বছর আঠারো। সেই কিশোরীর নগ্ন ছবিগুলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে পোস্ট করে।

কিশোরীর পরিবার জানায়, মেয়ের ছেঁড়া পোশাআশাক ও বিধ্বস্ত অবস্থা দেখেই আন্দাজ করি ওর সঙ্গে বাজে কিছু একটা ঘটে গিয়েছে। কিন্তু, মেয়ে তখনও কিছু বলেনি। কথা বলার মতো মানসিক অবস্থাও তার ছিল না। গত বুধবার মেয়ের নগ্ন, অশ্লীল ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দেখে, প্রথম ধর্ষণের ঘটনাটি জানতে পারেন তার বাবা-মা। এর পরেই পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

একটি মহল সরব হওয়ায়, ট্যুইটটি মুছে দেওয়া হয়েছে। তার আগে ৫০০-র ওপর লাইক হয়। পোস্ট ভরে যায় অশ্লীল মন্তব্যে। বেশির ভাগ লোকজনই ঘটনার জন্য মেয়েটিকেই দায়ী করে। সুত্র- এই সময়






মন্তব্য চালু নেই